নজরবন্দি ব্যুরোঃ ক্রমাগত উত্তপ্ত হচ্ছে মোমিনপুরের পরিস্থিতি। কলকাতা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ। মোমিনপুরে শীঘ্রই মোতায়েন করা হোক কেন্দ্রীয় বাহিনী। কলকাতা হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের। যা ঘিরে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি।
আরও পড়ুনঃ Sukanta Majumder: মোমিনপুর যাওয়ার পথে আটকানো হল কনভয়, গ্রেফতার বিজেপি সভাপতি!
শনিবার রাতের পর রবিবার দুপুরেও উত্তেজনা ছড়ায়। গতকালের ঘটনার পর সোমবার মোমিনপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। কিন্তু চিংড়িঘাটার কাছেই তাঁর কনভয় আটকে দেয় পুলিশ। আটক করা হয়েছে রাজ্য বিজেপির সভাপতিকে।
PIL filed in Calcutta High Court seeking immediate deployment of Central Forces in Kolkata after city police unable to prevent and stop violence in Ekbalpur. pic.twitter.com/Y0CyZDwIIw
— ANI (@ANI) October 10, 2022
শনিবার থেকেই উত্তপ্ত হয়েছিল মোমিনপুর। দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বোতল ছোঁড়াছুঁড়ি শুরু হয়। গতকাল একবালপুর থানা ঘেরাও করে উত্তেজিত জনতা। ঘটনার পর থেকে মোতায়েন বিরাট পুলিশ বাহিনী এবং র্যাফ।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে আগে থেকেই সরব হয়েছেন বিজেপি নেতারা। অবিলম্বে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি লেখেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে গেছে, বলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও রাজ্যপালকে লেখা চিঠিতে অভিযোগ শুভেন্দুর।
এর আগে টুইট করে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি লেখেন, মোমিনপুর-খিদিরপুরের পরিস্থিতি জানতে পেরে খুবই উদ্বিগ্ন। সেখানকার পরিবারদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আবেদন জানাচ্ছি। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ডিজি এবং কলকাতা পুলিশের কমিশনার কখন পদক্ষেপ করবেন এই নিয়ে।
মোমিনপুরে শীঘ্রই মোতায়েন করা হোক কেন্দ্রীয় বাহিনী, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

উল্লেখ্য, সোমবার সকালেও উত্তপ্ত ছিল মোমিনপুর। ঘটনাস্থলে পুলিশ গেলে তাদের ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখানো হয়। পুলিশি নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এই ঘটনা ঘটল, সেই প্রশ্ন তুলে পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন স্থানীয় মানুষ৷ অভিযোগ, এলাকায় দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ঝামেলা শুরু হয়ে যায়৷ এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার বা আটক করেনি পুলিশ।



