নজরবন্দি ব্যুরো: এভাবে বাড়ি বাড়ি রেশন পৌঁছে দেওয়া যায়না, দুয়ারে রেশন নিয়ে হাইকোর্টে মামলা করলেন ডিলাররা! চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে চালু হতে চলেছে দুয়ারে রেশন প্রকল্প। কমিশন বাড়ানো হয়েছে ৩ হাজার ১০০ রেশন ডিলারের, মিলবে গাড়ি কেনার সাহায্য। পাইলট প্রজেক্ট হিসাবেই দুয়ারে রেশন প্রকল্প কাজ শুরু করছে রাজ্য সরকার। তবে বেশ কিছু বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি।
আর পড়ুনঃ সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকায় প্রথম দশে কলকাতা ও যাদবপুর
তবে, ইতিমধ্যেই প্রতি কুইন্টালে ৫০ টাকা কমিশন বাড়িয়েছে রেশন ডিলারদের সংগঠন। পাশাপাশি বায়োমেট্রিক ব্যাবস্থায় মিলবে কুইন্টাল প্রতি আরও ২৫ টাকা। এই যখন পরিস্থিতি তখন আদালতে পৌঁছে গেল ‘দুয়ারে রেশন প্রকল্প’। “দুয়ারে রেশন ” প্রকল্পকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন রেশন ডিলারদের একাংশ। এই ডিলারদের অভিযোগ, এই প্রকল্প কেন্দ্রীয় আইনের পরিপন্থী।
ডিলাররা হাইকোর্টে জানিয়েছেন, এভাবে বাড়ি বাড়ি রেশন পৌঁছে দেওয়া যায়না! আইন অনুযায়ী রেশন দোকানে এসে মানুষ রেশন নেবেন এটাই নিয়ম। বাড়ি গিয়ে রেশন দিতে হলে ডিলারদেরই গাড়ির খরচ, প্রচারের খরচ এবং সংরক্ষণের খরচ বহন করতে হবে বলে জানিয়েছে সরকার। এই বিপুল খরচ তারা বহন করতে পারবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন ডিলারদের একাংশ। যদিও সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, পরিবহন এবং অন্যান্য খরচ বহন করতে সাহায্য করছে রাজ্যে। পাশাপাশি রাজ্য সরকার জানিয়েছে, এটা একটা পরীক্ষামূলক প্রকল্প, যা চলবে শুধু সেপ্টেম্বর মাসে। পরে প্রকল্পের গ্রহনযোগ্যতা দেখে বাকি সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এভাবে বাড়ি বাড়ি রেশন পৌঁছে দেওয়া যায়না, দুয়ারে রেশন নিয়ে হাইকোর্টে ডিলাররা!

রেশন ডিলার ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বম্ভর বসু এ বিষয়ে জানিয়েছেন, “ব্যাঙ্ক থেকে ধার করা টাকায় গাড়ি কিনব না আমরা। প্রায় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা খরচ করে রেশন ডিলারদের পক্ষে গাড়ি কেনা কোনওভাবেই সম্ভব নয়।” এ বিষয়ে খাদ্য মন্ত্রী রথীন ঘোষ জানিয়েছেন, “মাঠে নেমে তো আগে কাজ করা শুরু হোক। তারপর তো সমস্যা বোঝা যাবে। শুধু সমস্যা দেখতে গেলে তো কোনও কাজই হবে না।” মামলার শুনানি হবে আগামীকাল বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে।



