নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রায় সব জেলায় সরকারি হাসপাতালে বহু পদ খালি। তার ওপর করোণা আক্রান্ত হয়ে পড়ছেন বহু চিকিত্সক-নার্স স্বাস্থ্যকর্মীরা। কম সংখ্যক কর্মী নিয়ে চিকিত্সার পরিসেবা চালাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে স্বাস্থ্য দপ্তর কে।এই অবস্থায় নবান্ন থেকে মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য নিয়োগ এবং পুরো পরিষেবা নিয়োগ কমিশনের মাধ্যমে সরাসরি নিয়োগ করা হবে।
আরও পড়ুনঃ দেশে মাত্র ২২৫ টাকায় মিলবে করোনা ভ্যাকসিন।


প্রাথমিকভাবে 53 জন চিকিত্সক 18 জন টেকনিশিয়ান নেয়া হবে।ইতিমধ্যেই স্বাস্থ্য নিয়োগ পর্ষদ নার্স দের ইন্টারভিউ নিতে শুরু করে দিয়েছে। আগামী মাস থেকে শুরু হবে চিকিত্সকদের নিয়োগ এবং পুজোর আগে সেই প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাবে। চিকিত্সকদের নিয়োগ হবে মেডিকেল অফিসার এবং জেনারেল ডিউটি মেডিকেল অফিসার পদে।
এই নার্স এবং চিকিত্সক নিয়োগের ফলে সাধারণ মানুষের মনোবল এবং লোকবল অনেকটা বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।স্বাস্থ্য দপ্তরের খবর অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই প্রায় আট হাজার আবেদন জমা পড়ে গেছে নার্সের চাকরির জন্য। জুলাই মাসের তৃতীয় সপ্তাহ থেকেই এই প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছিল।৮ হাজার আবেদনকারীদের মধ্যে প্রায় সাড়ে চার হাজার চাকরিপ্রার্থীকে পুজোর আগেই নিয়োগপত্র দেওয়া হবে।
স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ মনে করছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হলে ডাক্তার এবং নার্সদের ওপর থেকে চাপ অনেকটাই দূর হবে।তবে চাকরিপ্রার্থীদের মাক্স, ফেইস শিল্ড পড়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।স্যানিটাইজার প্যানেল দিয়ে নিজেকে জীবাণুমুক্ত করার পরে তাদের বোর্ডের সামনে যেতে হবে।নথি পত্র যাচাই এর আগেও তা জীবাণুমুক্ত করে দেওয়া হচ্ছে।









