নজরবন্দি ব্যুরোঃ আজ একদিকে যেমন ইংরাজি নতুন বর্ষের উদযাপন তেমনই বাঙালির কাছে আরও একটি পূণ্য দিন। আজ ‘কল্পতরু উৎসব’ ভক্তিপ্রান বাঙালির কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তা নিয়ে কোন দ্বিমত নেই। তাই সকাল থেকেই উপচে পড়া ভীড় দিকে দিকে। মানুষ যেমন কলকাতার ময়দান, পার্ক্সস্ট্রিট চত্বরে ভীড় জমাচ্ছেন তেমনই বেলুড় মঠ থেকে উদ্যানবাটি ভেসে যাচ্ছে জনস্রোতে।
আরও পড়ুনঃ জ্বালানি যন্ত্রণা! নতুন বছরের শুরুতেই দাম বাড়ল গ্যাসের


প্রত্যেকেই চাইছেন পুরানো বছরের কালিমা মুছে নতুন দিনের আলো উপভোগ করতে। তাই ঈশ্বরের আশীর্বাদ নিয়ে নতুন বছর শুরু করতে দিক- দিগন্ত থেকে ছুটে আসছে হাজার হাজার মানুষ। ১৮৮৬ সালের আজকের দিনে কল্পতরু (Kalpataru) রূপে ভক্তদের আশীর্বাদ দিয়েছিলেন ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস। বেলুড় মঠ, দক্ষিণেশ্বর, জয়রামবাটি, কাশীপুর উদ্যানবাটি, কামারপুকুরে আয়োজন করা হয়েছে কল্পতরু উৎসবের। একদিকে রাত বারোটায় ইংরেজি নববর্ষের সূচনা আর তাঁর ঠিক পরেই ভোর রাত থেকেই মঠ মন্দির গুলিতে মানুষের ঢল।

কথিত আছে, কাশীপুর উদ্যানবাটিতে ভক্তদের আশীর্বাদ করে বলেছিলেন, ‘তোমার চৈতন্য হোক’। এছাড়া, কাশীপুর রামকৃষ্ণ মহাশ্মশানে ঠাকুরের দেহ পঞ্চভূতে বিলীন হয়। আজকের বিশেষ দিনে এই স্থানগুলিতে অগণিত ভক্তদের সমাগম দেখা যাচ্ছে।
কল্পতরু উৎসবে অগণিত ভক্ত সমাগম, নতুন বছর উদযাপনে মাতোয়ারা বাঙালি



উল্লেখ্য, করোনার কারণে গত দু’বছর ভক্তদের ক্ষেত্রে কড়া নিষেধাজ্ঞা ছিল। বিধিনিষেধ উঠতেই অগণিত দর্শনার্থীর ঢল নেমেছে। ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা জানিয়েছেন বিগত বছর গুলির মতো জেন গৃহবন্দি না হতে হয়। যদিও এবারেও রয়েছে কিছু সতর্কতা। কল্পতরু উৎসবে সামিল হতে হলে বাধ্যতামূলক মাস্ক।







