দলীয় নেতাকে ধাক্কা রাজ্য বিজেপির দপ্তরে! ইমেলে নালিশ গেলো নাড্ডার কাছে

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরো: হাতাহাতি রাজ্য বিজেপির দপ্তরে, বিশ্বস্ত সূত্রের খবর, রাজ্য নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানতে এসে চড় ঘুষি খেয়ে ফিরেছেন কামারহাটির বিজেপি নেতা অমিতাভ রায়। ভোটের আগে থেকেই গেরুয়া শিবিরের ভেতর চাড়া দিয়েছিল একাধিক ইস্যু, জায়গায় জায়গায় তৈরি হয়েছে আদি নব্য ভাগ। সেসবের মাঝেই ভোট হেরেছে বিজেপি।

আরও পড়ুনঃ সাবধানী চাল মুকুলের, বিধানসভায় বসবেন বিরোধী বেঞ্চেই।

আত্মবিশ্বাসের ২০০ পার এ বদলে ১০০ও পার করতে পারেনি বঙ্গ বিজেপি। আর তার পর থেকেই একাধিক নেতা মন্ত্রীরা উগরে দিচ্ছেন নিজেদের ভেতরে থাকা ক্ষোভ। লাগাতার অন্যদলের নেতা মন্ত্রীদের নিজেদের দলে আনা থেকে প্রার্থী তালিকা তৈরি, ভোটে হারের পর একাধিক ইস্যু নিয়ে রাজ্যের প্রথম সারির মুখেদের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন বিজেপির একাধিক নেতা।

খোদ তথাগত রায় থেকে জেলাস্তরের নেতারা বারবার রাজ্যে গেরুয়া শিবিরের এই পরিস্থিতির জন্য কাঠগড়ায় তুলেছেন পরিচিত প্রথম সারির মুখেদের। আজকাল পদ্মবনের বৈঠকে সিদ্ধান্ত সমাধানের থেকে বেশি চলে বচসা। তবে সব কিছুর মধ্যে অভিযোগকারী নেতাকে ধাক্কা মারার ঘটনা, তাও খাস বিজেপির রাজ্য দপ্তরে এককথায় নজিরবিহীন।

সূত্রের খবর ভোটের পর থেকেই দিলীপ ঘোষ সহ একাধিক নেতার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ইস্যুতে সরব ছিলেন প্রাক্তন RSS কর্মী অমিতাভ রায়। গত পরশু তিনি রাজ্য বিজেপির শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান তথা বাঁকুড়ার সাংসদ সুভাষ সরকারের সঙ্গে আলোচনার স্বার্থে পৌঁছান মুরুলিধর সেন লেনের রাজ্য বিজেপির পার্টি অফিসে। কিন্তু অমিতাভ বাবুর অভিযোগ, আলোচনা সমাধানের বদেল তার ওপর ঘটে যায় হামলা।

দলীয় নেতাকে ধাক্কা রাজ্য বিজেপির দপ্তরে! তাঁর অভিযোগ রাজ্যের ওপর স্তরের নেতাদের দ্বারা অবহেলিত আর অত্যাচারিত কর্মীরা, সেই বিষয়ে আলোচনা করতে সুভাষ সরকারের কথা মত ৬ নম্বর মুরুলিধর সেন লেনে যান তিনি। তবে সেখানে গেলেই রাজ্য যুবমোর্চার সদস্য তাঁকে অকথ্য গালাগাল শুরু করে, তিনি প্রতিবাদ করলে ধাক্কা, চড় ঘুষি খান। ঘটনায় স্তম্ভিত এতদিনের দলের নেতা অমিতাভ বাবু। এখনো পর্যন্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে বিজেপির রাজ্য নেতারা কিছু না জানালেও, অমিতাভ বাবু বিষয়টি জানিয়েছেন জে পি নাড্ডাকে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত