নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত বছরের জুলাই মাসে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তারপর থেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ভূমিকা ছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার স্ক্যানারে। এতগুলো মাস পেরিয়ে যাওয়ার পর নিয়োগ দুর্নীতিতে নিজের ভূমিকা অস্বীকার করলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বরং দুর্নীতির গোটা বিষয়টি বোর্ডের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেন।
আরও পড়ুনঃ DA আন্দোলনরত কর্মীদের উদ্দেশ্যে হুমকির সুর, ভাঙড়ের নেতার মন্তব্য ঘিরে তোলপাড়


বৃহস্পতিবার বিশেষ সিবিআই আদালতে পার্থ চট্টোপাধ্যায় সহ নিয়োগ দুর্নীতি অভিযুক্ত ১৩ জনকে পেশ করা হয়। এদিন পরিচিত মহলে পার্থ বলেন, আমি নিয়োগকর্তা নই, আমি মন্ত্রী ছিলাম। আমি এ কাজকে সমর্থন করি না, করব না। তবে কী গোটা বিষয়টি স্কুল সার্ভিস কমিশন এবং প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের কোর্টে ঠেলে দিলেন তিনি?

এর আগেও অবশ্য দুর্নীতিতে বারবার নিজের দায় এড়িয়ে গেছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বরং স্পষ্ট করে তিনি জানিয়েছেন, স্কুল সার্ভিস কমিশন হোক বা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ সবই স্বশাসিত সংস্থা। নিয়োগ সংক্রান্ত ক্ষেত্রে মন্ত্রীর কোনও ক্ষমতা নেই। এখন প্রশ্ন হল, তিনি শিক্ষামন্ত্রী থাকাকালীন দুর্নীতিতে পাহাড় গড়েছিল রাজ্যজুড়ে। যার তদন্ত করছে সিবিআই এবং ইডি।
নিয়োগ দুর্নীতিতে নিজের ভূমিকা অস্বীকার করলেন পার্থ, কী বললেন তিনি?

এদিন ১৩ জনের জেল হেফাজতের মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে তাঁদের ফের আদালতে পেশ করা হয়। আইনজীবীদের প্রশ্ন ছিল, অভিযুক্তদের আর কত দিন হেফাজতে রাখা হবে,?সে প্রশ্ন তোলেন তাঁদের আইনজীবীরা। তাঁরা জানান, সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে আদালতও। অভিযুক্তরা কতদিন বেঁচে থাকবেন? এনিয়েও প্রশ্ন টলা হয়। সেখানেও সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারক।









