নজরবন্দি ব্যুরোঃ সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন। তার আগেই শাসক দলের নেতাদের মুখে হুমকির সুর। এবার প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে হুঁশিয়ারি দিলেন ভাঙড়ের তৃণমূল নেতা কাইজার আহমেদ। তবে সেটা বিরোধী দলের নেতাদের উদ্দেশ্যে নয়। DA আন্দোলনরত কর্মীদের উদ্দেশ্যে হুমকির সুর তৃণমূল নেতার কথাতেও। যা নিয়ে এই মুহুর্তে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি।


ভাঙড় ১ নম্বর ব্লকে বড়ালিতে একটি দলীয় সভার আয়োজন করা হয়। সেখানেই বহু আইএসএফ কর্মীরা তৃণমূলে যোগদান করেন। সেখান থেকেই শাসক দলের কর্মীদের পাঠা পড়াতে গিয়ে হুমকি শোনা গেল তৃণমূল নেতার মুখে। তিনি বলেন, যত খায়, পোষায় আর না। এটা কিন্তু দিদির কথা। ওরাই আবার কিন্তু ভোট করাতে আসবে। আমাদের জায়গার লোক অন্য জায়গায় যাবে, আর অন্য জায়গার লোক এখানে আসবে।

তাঁর সংযোজন, যারা সব প্রিসাইডিং অফিসার হয়, ওরা কিন্তু সব ওই লোক, যারা ভাতা দাও বলে আন্দোলন করছে, ভোট করতে যাব না বলে আন্দোলন করছে। ওরা যখন বুথে আসবে, নিজেদের লোক বলে চাটাচাটি করো না কিন্তু। সব ডিস্টার্ব। একইসঙ্গে তাঁদের উদ্দেশ্যে কাইজারের বার্তা, ওদের ডিস্টার্ব সারিয়ে দিতে হবে কিন্তু। ওদের ওই মুরগির মাংস টাংস খাওয়ানোর চিন্তাভাবনা করিস না কিন্তু। চাপে রাখবি।
নিজের বক্তব্যের ব্যাখা দিয়ে জানিয়েছেন, ডিএ নিয়ে যারা আন্দোলন করছেন, তারাই হবে প্রিসাইডিং অফিসার। আমাদের কর্মীদের মধ্যে, বিশেষত এটা ভাঙড়ের মানুষের কালচার, সেটা হল আতিথেয়তা। খাবার-ফ্যান-আলোর ব্যবস্থা করে দেয় আমাদের কর্মীরা। আমাদের কর্মীদের বলে দিয়েছি বেশী আপ্যায়ন করার প্রয়োজন নেই।


DA আন্দোলনরত কর্মীদের উদ্দেশ্যে হুমকির সুর, তৃণমূল নেতার মন্তব্যে চাঞ্চল্য

পাল্টা সুর চড়িয়েছেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। তাঁর কথায়, এভাবে ভয় দেখিয়ে প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে কেউ যদি আইন বহির্ভূত কথা বলেন, তাহলে আইনের কাছে জবাব দিতে হবে। মনে করিয়ে দিলেন এটা ২০১৮ নয়। আমরা গণতন্ত্র রক্ষার জন্য যা করার করব।







