নজরবন্দি ব্যুরোঃ সাতসকালে হাতাহাতি বাঁধল মেদিনীপুরের স্কুলে (Midnapore School)। প্রধান শিক্ষককে কলার ধরে চড় থাপ্পড় মারলেন অভিভাবকরা। যা ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে মেদিনীপুর শহরের কেরানিতলায়। জানা গেছে, শুক্রবার প্রাইমারি স্কুলের পড়ুয়াদের পরীক্ষা ছিল। সেই মতই পরীক্ষার্থিরা অন্যান্য দিনের মতই স্কুলে উপস্থিত হয়। কিন্তু তাঁর পরেই ঘটলো যত বিপত্তি।
আরও পড়ুনঃ অনুব্রত মণ্ডলের গাড়িতে লাল বাতি, হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা


স্কুলের গেটে তালা বন্ধ। বাচ্চাদের পরীক্ষা দিতে হল বারান্দায় বসে। ক্ষোভে ফেটে পড়লেন অভিবাভকরা। তুমুল উত্তেজনা Medinipur-এর শ্রী শ্রী মোহনানন্দ বিদ্যামন্দির স্কুল চত্বরে। ঘটনাস্থলে কোতোয়ালি থানার পুলিশ।এদিকে, কিন্তু হাইস্কুল কর্তৃপক্ষ ক্লাসরুমে তালাবন্ধ করে রাখায় তাদের বড় সমস্যার মুখে পড়তে হয়। বাধ্য হয়ে স্কুলের বারান্দায় বসে পরীক্ষা দেয় ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা। সেখান থেকেই অভিভাবকদের ক্ষোভের সূত্রপাত।

মেদিনীপুর শহরের শ্রী শ্রী মোহনানন্দা বিদ্যামন্দির স্কুল বিল্ডিংয়েই চলে শ্রী শ্রী বালানন্দ প্রাথমিক বিদ্যালয়। অভিযোগ, প্রাথমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে কোনও কিছু না জানিয়েই ক্লাসরুমগুলিতে তালা লাগিয়ে দেয় হাইস্কুল কর্তৃপক্ষ। তাই তীব্র গরমের মধ্যে স্কুল বারান্দায় বসে পরীক্ষা দিতে বাধ্য হয় খুদে পড়ুয়ারা।
এরপরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন অভিভাবকেরা। তাঁরা সরাসরি হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক সুমিত কুমার ঘোষের বাড়িতে হানা দেন। অভিভাবকদের চাপে পড়ে তিনি তড়িঘড়ি স্কুল ক্যাম্পাসে ছুটে আসতেই ক্ষুব্ধ অভিভাবকদের রোষের মুখে পড়েন।


কলার ধরে টানাটানির পর হেডমাস্টারকে থাপ্পড়ও মারে কেউ কেউ। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই সেখানে আসেন স্থানীয় কাউন্সিলর মোজাম্মেল হোসেন। তড়িঘড়ি স্কুল চত্বরে পৌঁছয় মেদিনীপুর কোতোয়ালি থানার পুলিশও। আপাতত সেখানকার পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
শ্রী শ্রী বালানন্দ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ কোনো কিছু না জানিয়েই ক্লাসরুমে তালা দিয়ে এজাহার উচ্চবিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের তরফে। খুদে পড়ুয়াদের হেনস্থা করার জন্যই উচ্চবিদ্যালয়ের তরফে এমন ঘটনা ঘটানো হয় বলেও জানিয়েছেন শ্রী শ্রী বালানন্দ বিদ্যামন্দির কতৃপক্ষ।
মেদিনীপুরের স্কুলে তুলকালাম, প্রধান শিক্ষকের কলার ধরে চড় থাপ্পড় অভিভাবকদের

যদিও শ্রী শ্রী মোহনানন্দ বিদ্যামন্দিরের প্রধান শিক্ষকের দাবি, প্রাইমারি স্কুলের পড়ুয়াদের যে পরীক্ষা ছিল সে বিষয়টি তাঁর গোচরে ছিল না। এর ফলেই এমন সমস্যা তৈরি হয়। গোটা ঘটনাকে ঘিরে স্কুল ক্যাম্পাসে ছড়িয়েছে ব্যাপক উত্তেজনা। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে মেদিনীপুর কোতোয়ালি থানার পুলিশ।







