নজরবন্দি ব্যুরো: মাঝপথে ফেলে রেখে পালাল পুলিশ, হাইকোর্ট যেতে পারে আইএসএফ। বৃহস্পতিবার মনোনয়নের শেষ দিনেও উত্তপ্ত হয়ে রইল ভাঙড়। একের পর এক বোমবাজির ঘটনা সামনে এসেছে। অভিযোগ উঠছে, অন্তত ৭-৮টি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আইএসএফের দাবি, তাঁদের দাবি একজনের মৃত্যু হয়েছে। জানা যাচ্ছে, বিষয়টি নিয়ে ফের আইএসএফ কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে পারে।
আরও পড়ুন:মনোনয়নের সময় বাড়ানো হোক! নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি অধীরের


আগামী শুক্রবার সাড়ে ১০টা নাগাদ বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাজে মামলার শুনানি। প্রসঙ্গত, ভাঙড়-ক্যানিংয়ে আইএসএফ, বিজেপি, বাম, কংগ্রেস প্রার্থীদের মনোনয়নে বাধা কাটাতে পুলিশকে পদক্ষেপ করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার। মনোনয়নে ইচ্ছুকরা তাঁদের জমায়েত স্থান জানাবে স্থানীয় থানাকে। তার প্রেক্ষিতে স্থানীয় থানা মনোননয়ন কেন্দ্রে পৌঁছে দেবে। এমনটাই নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার।

কিন্তু একটু পরেই ফের নতুন করে অশান্ত হয় ভাঙড়। মুড়িমুড়কির মতো বোমা ফাটতে থাকে। কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটায় পুলিশ। আইএসএফ অভিযোগ করছে, ‘মনোনয়ন কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়ার নামে মাঝপথে ফেলে রেখে পালায় পুলিশ।’ বিষয়টি নিয়ে ফের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চলেছে তারা। আগামীকাল সাড়ে ১০ টা নাগাদ শুনানির সম্ভাবনা।


বৃহস্পতিবার ভাঙড়ের সংঘর্ষে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে আইএসএফ কর্মী মহিউদ্দিন মোল্লার৷ আইএসএফ কর্মীদের অভিযোগ, এদিন বেলা ১২ টা থেকে ভাঙড় দু নম্বর ভিডিও অফিস সংলগ্ন এলাকায় আইএসএএফ কর্মীদের আটকে রাখা হয়৷ তাঁরা জানায়, আইএসএফ কর্মীদের লক্ষ্য করে ছোঁড়া হয় একের পর এক বোমা৷ গোটা এলাকা ঢেকে যায় কালো ধোঁয়ায়৷ তারপরেই চলে এলোপাথাড়ি গুলি৷ তাতেই গুলিবিদ্ধ হন মহিউদ্দিন৷ এমনকি, সংবাদমাধ্যমকে লক্ষ্য করেও গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ।
মাঝপথে ফেলে রেখে পালাল পুলিশ, হাইকোর্ট যেতে পারে আইএসএফ

অন্যদিকে, চোপড়াতে মৃত্যুর ঘটনাতে রাজ্যকে ভর্ৎসনা করল কলকাতা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার বাম-কংগ্রেস আইনজীবি মহল আদালতের দৃষ্টি আর্কষণ করে। প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি উদয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চে বিরোধীরা বিষয়টিকে সামনে আনে। তাতে আদালতের পর্যবেক্ষন হল, ‘আপনারা ৯ জুন বৈঠক করেছেন। আজকে ১৫ জুন। কী হচ্ছে এ সব?’ সব মিলিয়ে ভোট আবহে তপ্ত ভাঙড়।







