ভারতে সোমবার শুরু হচ্ছে অক্সফোর্ড ভ্যাক্সিনের শেষ পর্যায়ের ট্রায়াল।

বিজ্ঞাপন
নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ ভারতে সোমবার শুরু হচ্ছে অক্সফোর্ড ভ্যাক্সিনের শেষ পর্যায়ের ট্রায়াল। অক্সফোর্ডের করোনা ভ্যাকসিন কে ফেজ-৩ ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্র । ভারতে অক্সফোর্ডের তৈরি করোনার প্রতিষেধক কোভিশিল্ডের দ্বিতীয় এবং তৃতীয় তথা চূড়ান্ত পর্যায়ের ট্রায়াল শুরু হতে না হতেই স্থগিত হয়ে গিয়েছিল। ভ্যাকসিন নিয়ে সেচ্ছাসেবক অসুস্থ হয়ে পড়ায় সেরাম ভারতেও ট্রায়াল বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা করে। কিন্তু ভ্যাকসিন নিরাপদ এই ঘোষণা হয়ার পর ফের শুরু হয়েছে সবকিছু। দ্য ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়া অনুমতি দিয়েছে চূড়ান্ত পর্যায়ের ট্রায়াল চালানোর।

আরও পড়ুনঃ চলতি বছরেই ভারতের বাজারে মিলবে করোনার দুই বিদেশি টিকা!

ভারতে সোমবার শুরু হচ্ছে অক্সফোর্ড ভ্যাক্সিনের শেষ পর্যায়ের ট্রায়াল। তৃতীয় তথা চূড়ান্ত পর্যায়ের ট্রায়াল শুরু হচ্ছে আগামী সপ্তাহেই। পুনের সসুন জেনারেল হাসপাতালে এই তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু করবে। শনিবার সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে এ কথা জানিয়েছেন সসুন জেনারেল হাসপাতালের ডিন ডাক্তার মুরলিধর তাম্বে। সোমবার থেকেই ট্রায়াল শুরু হচ্ছে। প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ জন সেচ্ছাসেবক কে ভ্যাকসিনের ডোজ দেওয়া হবে।

সসুন জেনারেল হাসপাতালের ডিন ডাক্তার মুরলিধর তাম্বে জানিয়েছেন, “হাসপাতালে শনিবার থেকেই পরীক্ষার জন্য স্বেচ্ছাসেবকদের নাম নথিভুক্ত করা শুরু হয়েছে। যাঁরা প্রতিষেধকের পরীক্ষামূলক প্রয়োগে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে যোগ দিতে চান, তাঁরা হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন”

এদিকে, যাবতীয় চিন্তার অবসান ঘটিয়ে ব্রিটিশ-সুইডিশ ফার্ম অ্যাস্ট্রজেনেকা জানিয়ে দিয়েছে সব রকম পরীক্ষা সাফল্যের সাথে উতরেছে অক্সফোর্ডের করোনা ভ্যাক্সিন কোভিশিল্ড। অ্যাস্ট্রাজেনেকা জানিয়েছে, “বিশ্বজুড়ে সর্বত্র বন্ধ হয়ে গিয়েছিল ট্রায়াল। ব্রিটিশ কমিটি বিষয়টি তদন্তের জন্য MHRAতে পাঠিয়েছিল। MHRA তদন্তের পর ফের ট্রায়াল চালুতে অনুমতি দিয়েছে।”

উল্লেখ্য আমেরিকাতে প্রায় ৩০ হাজার স্বেচ্ছাসেবকের উপর এই টিকার তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল চালাচ্ছিল ব্রিটিশ-সুইডিশ ফার্ম অ্যাস্ট্রজেনেকা। কিন্তু ট্রায়ালের মাঝেই এক মহিলা স্বেচ্ছাসেবক গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার ফলে বন্ধ করে দেওয়া হয় ট্রায়াল। সেচ্ছাসেবিকা টিকা নেওয়ার পরে তাঁর শরীরে স্নায়বিক রোগের লক্ষণ দেয়। তবে এখন তিনি সুস্থ হয়ে উঠেছেন। চিকিৎসকদের দাবি তিনি ট্রান্সভার্স মায়েলিটিস (Transverse myelitis) রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। জানা গেছে সব ঠিক থাকলে চলতি বছরের শেষ মাসেই ভারতের বাজারে চলে আসতে পারে করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন। 

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

বিজ্ঞাপন

আরও খবর