নজরবন্দি ব্যুরোঃ কমলা সতর্কতা জারি করা হল দার্জিলিং এবং কালিম্পঙে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার আগমনে রবিবার উত্তরবঙ্গের এই দুই জেলায় বেশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন আবহবিদরা। দার্জিলিঙের উঁচু জায়গা অর্থাৎ সান্দাকফু এবং টাইগার হিলসে তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এই ধরনের আবহাওয়ায় ভূমিধসের সম্ভাবনা থাকে। আগামী কয়েক দিন ধরেই উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টির সঙ্গে তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ Howrah-Domjur: ডোমজুড়ে থার্মোকল কারখানায় ভয়াবহ আগুন, ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় দমকল, পুলিশ


দক্ষিণবঙ্গেও মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দক্ষিণবঙ্গের ১৫টি জেলায় রবিবার এবং সোমবার সারা দিন ধরেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে পূর্বাভাস মতো শনিবার ভোর থেকে কলকাতা শহরে শুরু হয় বৃষ্টিপাত। ঘন কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা খুবই কম ছিল। বেলা একটু গড়াতেই আকাশ পরিষ্কার হলেও তেমন ভাবে রোদ ওঠেনি। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ও নিম্নচাপ অক্ষরেখার কারণেই এই বৃষ্টি এবং পারদের ঊর্ধ্বমুখী হওয়া বলেও হাওয়া অফিসের খবর।

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণবঙ্গের হাওড়া, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, হুগলি, নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদ জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। শনিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টির তীব্রতা বাড়বে। উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলাতেও একই পূর্ভাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস।
কনকনে ঠান্ডায় কাপছে শৈলশহর। আজ সকাল থেকেই ঝিড়ঝিড়ে বৃষ্টির কবলে পড়ে যায় গোটা দার্জিলিং শহর। তাপমাত্রা নেমে যায় -৩ ডিগ্রিতে। মানুষ এবং পর্যটক একেবারেই না থাকায় গোটা দার্জিলিং একেবারেই অন্ধকারে চলে যায়। গত একমাস ধরে যে পরিমানে পর্যটক শৈলশহরে ছিলেন করোনার থাবায় একেবারেই শুনশান হয়ে পড়ে শৈলশহর। পর্যটক শুন্য থাকায় হোটেল এবং রেষ্টুরেন্টে একেবারেই বন্ধ থাকছে দার্জিলিং এ।


ভূমিধসের আশঙ্কায় কমলা সতর্কতা জারি পাহাড়ে, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার দাপটে নাজেহাল বাংলা

কবে খুলবে সবকিছু, আপাতত সেই অপেক্ষায় আছেন শৈলশহরের মানুষ। তবে আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, আরো বেশ কয়েকদিন তাপমাত্রা মাইনাসের নীচে চলাচল করবে। শীতের প্রভাব থাকলেও পর্যটক চলাচল করছিলেন ভালই জানিয়েছেন দার্জিলিং এর একজন প্রবীন গাইড। তবে করোনার থাবায় সবকিছু বন্ধ হয়ে পড়ায় সমস্যা তৈরী হয়েছে পাহাড়ের সাধারন মানুষের মধ্যে। যাদের মূল উপার্জন ছিলো হোটেল অথবা গাড়ি।পর্যটন ব্যাবসা বন্ধ হয়ে যাওয়াতে মাথায় হাত পড়ে গেছে তাদের।








