নজরবন্দি ব্যুরোঃ আট মাসের অন্তঃসত্ত্বাকে পেটে লাথি মারার অভিযোগ উঠল তৃণমূল বিধায়ক পরেশ পালের ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের কাঠগড়ায় রাজ্যের শাসক দল। আহত মহিলাকে গুরুতর অবস্থায় মেডিক্যাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে দেখতে মেডিক্যাল কলেজে উপস্থিত হন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সেখান থেকে বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক পরেশ পালের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ Anubrata Mondal: বীরভূমে বিরাট অভিযানে সিবিআই, নজরে অনুব্রতর আরও একটি রাইস মিল


শাসক দলের বিরুদ্ধে তোপ দেগে রাজ্য বিজেপির সভাপতির মন্তব্য, বাড়ি দিতে রাজি নন তাঁদেরকে জোর করে ভয় দেখিয়ে, আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে জোর করে বাড়ি ঘর নিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সেখানে গগনচুম্বী অট্টালিকা তৈরি হচ্ছে বড়লোকদের জন্য। স্বাভাবিকভাবে এটা নতুন কিছু নয়। রাজ্যজুড়ে সিন্ডিকেট রাজ কীভাবে চলে সেটা আপনারা ভালো করে জানেন।

বিধায়ক পরেশ পালের বিরুদ্ধে সরাসরি তোপ দেগে বিজেপির রাজ্য সভাপতির বক্তব্য, পরেশ তো এর আগে বহু লোককে পিটিয়ে মেরেছে। এরা বিধানসভায় বসার যোগ্য নয়। অন্য রাজ্য হলে এই সমস্ত বিধায়করা জেলের ভিতরে থাকতেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আছে বলে এরা রাস্তাঘাটে ঘুরে বেড়ায় এবং সমাজে এরা দাদাগিরি করতে পারে। অন্য রাজ্য হলে যেখানে ভারতবর্ষের আইন চলে, এই বিধায়ককে ধরে জেলে ঢুকিয়ে দিত।
স্থানীয় সূত্রে খবর, ওই মহিলার শ্বশুর বিজেপির সমর্থক৷ নারকেলডাঙা থানা থেকে অদূরে একটি জমিতে প্রোমোটারি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সমস্যা চলছিল৷ যে প্রোমোটার ওই জমিতে বহুতল নির্মাণ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তিনি গত দেড় বছর ধরে পলাতক৷ স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের মদত রয়েছে বলে জানা যায়।


বিধানসভায় বসার যোগ্য নয়, বেলেঘাটার বিধায়কের বিরুদ্ধে তোপ সুকান্তর

অভিযোগ, শনিবার রাতে কয়েক জন দুষ্কৃতী মহিলার ওপর হামলা চালায়৷ ঘটনাস্থলে খবর পেয়ে পুলিশ এসে গৃহকর্তা ও তাঁর ছেলেকেই গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়৷ রবিবার শিয়ালদহ আদালত থেকে বাবা-ছেলে জামিন পেয়ে বাড়ি ফেরেন। রবিবার আরও এক দফায় তৃণমূল সমর্থকরা হামলা চালায় বলে জানা গিয়েছে। তখনই অসুস্থ হয়ে পড়েন মহিলা। তাঁকে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।








