নজরবন্দি ব্যুরোঃ মুকুলকে নিয়ে চাঞ্চল্য, নির্বাচনী মনোনয়নপত্রে উল্লেখই নেই নারদা মামলার। গত সোমবার সাতসকালে নারদা স্টিং অপারেশন মামলায় সাতসকালে বাড়িতে গিয়ে রাজ্যের চার হেভিওয়েট নেতা-মন্ত্রীকে গ্রেফতার করে সিবিআই। তাঁরা হলেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও ফিরহাদ হাকিম এবং কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। এছাড়াও রয়েছেন একদা তৃণমূলের অন্যতম হেভিওয়েট শোভন চট্টোপাধ্যায়।
আরও পড়ুনঃ করোনার মাঝেই ‘যশ’ এর চ্যালেঞ্জ, দ্রুত নবান্নকে তৈরি হওয়ার নির্দেশ মমতার।
জামিনে স্থগিতাদেশ দিয়ে সকলের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। তবে শারীরিক অসুস্থতার কারণে ফিরহাদ ছাড়া সকলেই ভর্তি রয়েছেন SSKM এ। এদিকে এই গ্রেফতারির পর প্রশ্ন উঠতে শুরু করে একই ঘটনায় বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী ও মুকুল রায় অভিযুক্ত হলেও বিজেপির বলেই কি তাঁদের গ্রেফতার করা হল না? যার জবাবে CBI জানায় শুভেন্দুকে গ্রেফতার করতে লোকসভার স্পিকারের অনুমতি প্রয়োজন। তবে মুকুলের ক্ষেত্রে তদন্তকারী সংস্থা জানায় মুকুলের বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার সরাসরি প্রমান নেই। এদিকে মামলার চার্জশিটে উপরের সারিতেই রয়েছে মুকুল রায়ের নাম।
যা নিয়ে তৈরি হয় চরম ধোঁয়াশা। আর এবার চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এল বিজেপির সহ সভাপতি কে নিয়ে। জানা যাচ্ছে যে বিধানসভা ভােটে জিতে মুকুল রায় বিধায়ক হয়েছেন, তার মনােনয়নপত্রের হলফনামায় তিনি নারদ মামলার উল্লেখই করেননি! হলফনামায় একটি নির্দিষ্ট জায়গা থাকে, যেখানে প্রার্থীর বিরুদ্ধে কোনও মামলা থাকলে সেই সংক্রান্ত তথ্য দিতে হয়। দেখা গিয়েছে, সুব্রত মুখােপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম ও মদন মিত্র নারদ মামলার উল্লেখ করেছেন। কিন্তু মুকুল রায় তা করেননি।
মুকুলকে নিয়ে চাঞ্চল্য, নির্বাচনী মনোনয়নপত্রে উল্লেখই নেই নারদা মামলার। এরপরেই এই ঘটনা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে চাঞ্চল্য। এই নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে তৃণমূলের অন্দরমহলে। এখন দেখার এই ঘটনার জল কতদূর গড়ায়। এদিকে নারদা মামলার শুনানি আজও হবে না বলেই জানা গিয়েছে।



