নজরবন্দি ব্যুরোঃ কুতুব মিনার কার আমলে তৈরি? কুতুবুদ্দিন আইবক নন, কুতুব মিনার তৈরি হয়েছিল রাজা বিক্রমাদিত্যের আমলে। সূর্যের গতিপথ পর্যালোচনার জন্য তৈরি হয়েছিল মিনার। এমনই দাবি করেছিলেন খোদ ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ (আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া বা এএসআই)-এর প্রাক্তন অধিকর্তা ধর্মবীর শর্মা।
আরও পড়ুনঃ কোভিড নিয়ে মোদীর প্রশংসায় বাইডেন
হিন্দুত্ববাদীরা দাবি তুলেছেন মন্দির পুনরুদ্ধারের। এই প্রেক্ষিতে আদালতে হলফনামা দিল এএসআই। ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের দাবি, কুতুব মিনারকে আর মন্দিরে রূপান্তর করা সম্ভব নয়। অপর দিকে হিন্দুপক্ষের আবেদনকারীর পক্ষে আইনজীবী হরিশঙ্কর জৈন বলেছিলেন, ‘যদি কোনও দেবমূর্তি ধ্বংস করা হয় তাহলেও তা দেবত্ব এবং পবিত্রতা হারায় না।

কুতুব মিনার কমপ্লেক্সে মূর্তি আছে। সুপ্রিম কোর্ট বলে, যদি দেবদেবীরা টিকে থাকে, পুজো করার অধিকারও টিকে থাকে।’ আইনজীবীটি এও বলেন, এক্ষেত্রে পুজো করার সাংবিধানিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। এর জবাবে বিচারক বলেন, ‘শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুজো করার অধিকার খর্ব করা যেতেই পারে।’

উল্লেখ্য এর আগে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মুখপাত্র বিনোদ বনশলের দাবি ছিল কুতুব মিনারের নাম আসলে ‘বিষ্ণু স্তম্ভ’। এবং কুয়াত-উল-ইসলাম মসজিদ তৈরি হয়েছিল ২৭টি ধ্বংসপ্রাপ্ত হিন্দু-জৈন মন্দিরের জিনিসপত্র দিয়ে।

কুতুব মিনারকে আর মন্দিরে রূপান্তর করা সম্ভব নয়, জানালো ASI
এ ব্যাপারে দেশের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের মতামত গুরুত্বপূর্ণ। তারা জানায়, ১৯১৪ সাল থেকে সংরক্ষিত মনুমেন্ট কুতুব মিনার, একে এখন বদলানো যাবে না। পুজো করার অনুমতিও কোনওভাবেই দেওয়া যাবে না।



