‘সিঁদুরে মেঘ’ দেখছেন গড়করি? E20 পেট্রোল বিতর্কে ডিপফেকের শিকার, মেটা-গুগলের বিরুদ্ধে মামলার পথে মন্ত্রী

ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের পর ই-২০ ইস্যুতে নতুন বিতর্ক। ডিপফেকের শিকার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতীন গড়করি, মেটা-গুগলের বিরুদ্ধে মামলার পথে বম্বে হাইকোর্ট।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) আন্দোলনের জেরে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে (Dharmendra Pradhan) পদত্যাগ করতে হয়েছে। সেই আন্দোলন থামতে না থামতেই নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে ‘ই-২০ জনতা পার্টি’। আর এবার সরাসরি টার্গেট কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহণ মন্ত্রী নীতীন গড়করি (Nitin Gadkari)। নিজের ও পরিবারের বিরুদ্ধে সামাজিক মাধ্যমে ‘মানহানিকর’ পোস্ট ও ডিপফেক (Deepfake) ভিডিওর ছড়াছড়ির অভিযোগ এনে বম্বে হাইকোর্টের (Bombay High Court) দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। মামলায় টেক জায়ান্ট মেটা (Meta), এক্স (X) ও গুগলকেও (Google) পক্ষ করা হয়েছে। দাবি, ই-২০ কর্মসূচি থেকে লাভের সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়ে ‘বিভ্রান্তিকর’ ও ‘বিদ্বেষপূর্ণ’ প্রচার চালানো হচ্ছে, যা তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করছে

শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে এক মাসের বেশি সময়ের আন্দোলনের অবসান ঘটলেও, ই-২০ পেট্রল ইস্যুতে নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে ‘ই-২০ জনতা পার্টি’। মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এক্স-এ প্রায় ৫০ হাজার এবং ইনস্টাগ্রামে ২ লক্ষের বেশি ফলোয়ার জমিয়েছে এই সংগঠন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া স্লোগান—‘ধর্মেন্দ্র প্রধান গায়ে। আব কি বারী গড়করি বাাহার!’ স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে, এবার টার্গেট গড়করি। এই প্রেক্ষাপটেই মন্ত্রী বম্বে হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছেন।

গড়করির আবেদনে বলা হয়েছে, ই-২০ কর্মসূচি থেকে প্রাপ্ত মুনাফার সঙ্গে তাঁর এবং তাঁর পরিবারের নাম জড়িয়ে একাধিক মানহানিকর পোস্ট ও ডিপফেক ভিডিও ভাইরাল করা হচ্ছে। এর ফলে তাঁর ব্যক্তিগত ও জনজীবনে ‘গুরুতর ও অপ্রতিকারযোগ্য’ ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন মন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে এই ধরনের বিষয়বস্তু সামাজিক মাধ্যমে প্রচারের ওপর নিষেধাজ্ঞার দাবি জানিয়েছেন। তাঁর আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ইথানল মিশ্রিত পেট্রল (E20) নীতি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের (Ministry of Petroleum and Natural Gas), সড়ক পরিবহণ মন্ত্রকের নয়। তাই এই দায় তাঁর উপর চাপানো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও দুষ্প্রচারমূলক

শুধু তাই নয়, আবেদনে মেটা (Meta Platforms), এক্স (X Corp), গুগল (Google LLC) ও ইউটিউবের (YouTube) বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। এর আগে মহারাষ্ট্রের নাগপুরে কিছু কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের বিরুদ্ধেও মামলা হয়েছিল। আদালত মন্ত্রীর আবেদন গ্রহণ করেছে এবং তাঁকে সিভিল মামলা করার অনুমতি দিয়েছে। আদালতের এই অনুমতি পাওয়ার পরই স্পষ্ট, ই-২০ পেট্রল বিতর্ক এখন আইনি অঙ্গনেও পৌঁছেছে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন