শনিবার নীতি আয়োগের বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর বৈঠকের মাঝখানেই ওয়াক আউট করেন তিনি। অভিযোগ তোলে তাঁর বক্তব্য রাখার সময় মাইক বন্ধ করে দেওয়া হয়। যদিও তাঁর ওই অভিযোগ অস্বীকার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর। তিনি জানায়, মুখ্যমন্ত্রীর মাইক অফ করা হয়নি। ঘড়ি দেখিয়ে জানানো হয়েছিল নির্ধারিত সময় শেষ হয়ে গিয়েছে।
এদিন নীতি আয়োগের বৈঠকে দেশের বিরোধী দলের হয়ে একমাত্র মুখ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তার বক্তব্যের সময় কন্ঠরোধ করায় নীতি আয়োগের বৈঠক থেকে ওয়াক আউট করে বৈঠক ত্যাগ করেন তিনি। এরপরেই কেন্দ্রের তরফে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন সাফাই দিয়ে জানানো হয়, মধ্যাহ্নভোজের পর বক্তব্য রাখার কথা ছিল। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ মুখ্যমন্ত্রীর তাড়া থাকায় তাঁর অনুরোধে বৈঠকের সপ্তম স্পিকার করা হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। পাশাপাশি কেন্দ্রের তরফে আরও জানানো হয়, মুখ্যমন্ত্রীর মাইক অফ করা হয়নি। ঘড়ি দেখিয়ে জানানো হয়েছিল নির্ধারিত সময় শেষ হয়ে গিয়েছে। মধ্যাহ্নভোজ শেষ হওয়ার পর ফের বলার সুযোগ পেতেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু তার আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওয়াক আউট করেন। ফলে মিথ্যার উপরে কাহিনি তৈরি না করে, ওঁর উচিত সত্য বলা।



এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ তুলে বলেন, “অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডুকে ২০ মিনিট বলার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। অসম, গোয়া, ছত্তীসগঢ়ের এই সমস্ত ছোট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে ১০-১৫ মিনিট বলতে দেওয়া হয়েছিল। যদিও কিন্তু আমি বক্তব্য শুরু করতেই, ৫ মিনিটের মধ্যে মাইক অফ করে দেওয়া হয়।”
নীতি আয়োগে কি সত্যিই মমতার মাইক বন্ধ হয়েছিল? কী বললেন নির্মলা?



প্রসঙ্গত, এর আগেও বহুবার নীতি আয়োগের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ তুলেছেন একদম শেষে তাঁকে বলতে দেওয়া নিয়ে। অত্যন্ত কম সময় পান বক্তব্য রাখার। সে প্রসঙ্গেই পশ্চিমবঙ্গের নাম বদলে বাংলা রাখার পরিকল্পনাও নিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও মুখ্যমন্ত্রীর এই অভিযোগ বরাবরই উড়িয়ে দিয়েছে কেন্দ্র। এবারের অভিযোগও একইভাবে উড়িয়ে দেওয়া হল।







