নজরবন্দি ব্যুরোঃ উন্নয়ন ঘরে ঘরে, ঘরের মেয়ে ভবানীপুরে! উপনির্বাচন কে কেন্দ্র করে নতুন স্লোগান সামনে আনল তৃণমূল। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে মমতার নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে তৃণমূলের হয়ে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। বিপুল ভোটে জয়ও পান তিনি। রাজ্যেও ফের ক্ষমতায় ফিরে আসে তৃণমূল কংগ্রেস।
আরও পড়ুনঃ অর্জুনের গড়ে ধস বিজেপির, সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক সহ শতাধিক নেতা-কর্মী তৃণমূলে।
অন্যদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবারে দাঁড়িয়েছিলেন নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে নিজের একদা শিষ্য শুভেন্দুর বিরুদ্ধে। মারকাটারি লড়াইয়ের পর সামান্য ভোটের ব্যবধানে হেরে যান তিনি। এদিকে সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী ভোটে হেরে মন্ত্রীপদে বসলে ৬ মাসের মধ্যে নির্বাচনে জিততে হয়। সেইমতো ঠিক হয় উপনির্বাচনে মমতা লড়বেন নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরেই। আর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর জন্যে নয়া স্লোগান সামনে আনল তৃণমূল। উন্নয়ন ঘরে ঘরে, ঘরের মেয়ে ভবানীপুরে!
উল্লেখ্য, ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের মূল স্লোগান ছিল, বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়। ভোটের ফলপ্রকাশের দিন বেলা গড়ানোর সাথে সাথেই বোঝা গিয়েছিল, নিজের মেয়েকেই চেয়েছে বাংলা। বিপুল আসন জিতে তৃতীয় বারের জন্যে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে পরাজিত হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামে মারকাটারি লরাইয়ের পর মাত্র ১৯৫৬ ভোটে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হন মমতা।
উন্নয়ন ঘরে ঘরে, ঘরের মেয়ে ভবানীপুরে!

যদিও শুভেন্দুর সেই জয় নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। নন্দীগ্রামে ১৯৫৬ ভোটে শুভেন্দুর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ভোটের ফল্প্রকাশের দিন এই ফলে অবাক হয়ে মুখ্যমন্ত্রী কারচুপির অভিযোগ এনেছিলেন। সেদিনেই তিনি বলেছিলেন প্রয়োজনে মামলা করবেন। তিনি বলেছিলেন, ‘গোটা রাজ্যের থেকে আলাদা রায় দিল নন্দীগ্রাম, এটা হতে পারে না। আমি আদালতে যাব। কারণ আমার কাছে খবর আছে, ভোটের ফল ঘোষণার পর কারচুপি হয়েছে।’ সেই মত আদালতে এখনও নন্দীগ্রাম মামলা বিচারাধীন।



