নজরবন্দি ব্যুরোঃ এক সময় দলের সেকেণ্ড ইন কম্যান্ডের পদ সামলেছেন তিনি। দীর্ঘ সময় ধরে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুজ সৈনিক। তারপর দীর্ঘ সময় ধরে ছিলেন বিজেপির কর্মী। গত বিধানসভা নির্বাচনের পর তিনি তৃণমূলে ফিরে আসেন। তাঁরই সহযোদ্ধা পার্থ চট্টোপাধ্যায় এখন ইডির হেফাজতে। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সমস্ত মন্ত্রীপদ কেড়ে নিয়েছে সরকার। আজ মন্ত্রীসভার বৈঠকে একাধিক বদলের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে বোমা ফাটালেন বিধায়ক মুকুল রায়।
আরও পড়ুনঃ Parliament: শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতি আঁচ সংসদে, গান্ধী মুর্তির পাদদেশে ধর্নায় বিজেপি
পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেফতারের ৬ দিন পর তাঁর থেকে মন্ত্রীপদ কেড়ে নেওয়া হয়েছে। বিরোধীরা বলছে ভাবমূর্তি সঠিক রাখতেই এই পদক্ষেপ নিচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? এই প্রশ্নের উত্তরে মুকুল রায় বলেন, এ সবের ওপর ভাবমূর্তি নির্ভর করে না। ভাবমূর্তি নির্ভর করে ভাবমূর্তির ওপরেই। কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়কের বক্তব্য, মন্ত্রীসভার রদবদল করলে সরকারের ভাবমূর্তির ওপর প্রভাব পড়বে না।

তবে একই দলের সহযোদ্ধা পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ বর্ষীয়ান রাজনীতিবীদ। মুকুলের সাফ বক্তব্য, আমি দেখিনি, জানিনা তাই এবিষয়ে কিছু বলতে পারব না। তবে মন্ত্রীসভার বদল নিয়ে মুকুল রায়ের বক্তব্য, মন্ত্রীসভার বদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলতে পারবেন এটা কেন করছেন।
ভাবমূর্তি নির্ভর করে ভাবমূর্তির ওপরেই, মন্তব্য মুকুলের

উল্লেখ্য, শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সরাসরি নাম জড়িয়েছে মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। রোজ রোজ তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতি বেরিয়ে এসেছেন। শুধুমাত্র স্কুল সার্ভিস কমিশন নয়, প্রাথমিক শিক্ষা দুর্নীতিতেও নাম জড়িয়েছে তাঁর। ৫৬০ টি ডিএড প্রতিষ্ঠানের ওপর নজর রয়েছে ইডির। সেখানেই হানা দিচ্ছে ইডির আধিকারিকরা।



