ভারতীয় জনতা পার্টি বড়ো দল, তবে ভালো লাগেনি মুকুলের…

ভারতীয় জনতা পার্টি বড়ো দল, তবে ভালো লাগেনি মুকুলের...
ভারতীয় জনতা পার্টি বড়ো দল, তবে ভালো লাগেনি মুকুলের...

নজরবন্দি ব্যুরোঃ ভারতীয় জনতা পার্টি বড়ো দল, তবে ভালো লাগেনি মুকুলের… আর এর ওপরে অন্য কোন কারণ হতে পারেনা বলেই মনে করছেন সকলেই। এখনো নিজের তৃণমূল যোগ বা বিজেপি ছাড়ার কারণ উল্লেখ করেননি মুকুল রায়। তবে বাকিরা শুরু করেছেন তাঁর এই পুরানো ঘরের ফেয়ার কারণ অনুসন্ধান।

আরও পড়ুনঃ আজই কালিঘাটে মুকুল-শুভ্রাংশু! মমতা-সম্মতিতে ‘ফুল-বদল’ পিতা-পুত্রের

গত কয়েকদিন ধরে রাজ্য রাজনীতিতে চর্চা ছিলো যে বিষয় নিয়ে, আজ তারই যবনিকা পতন এক প্রকার। এতো দিনের দুরত্ব ঘুচিয়ে আজ মমতার সঙ্গে বৈঠকে বসছেন তাঁরই দীর্ঘ দিনের সঙ্গী এবং এক সময়ের প্রতিপক্ষ মুকুল রায়। সঙ্গে যাবেন পুত্র শুভ্রাংশুও।

কালঈঘাটে মমতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেই যাবেন তৃণমূল ভবনে। বৈঠক করবেন দলনেত্রীর সঙ্গে। তবে এই মুহুর্তে প্রশ্ন কেনো বিজেপি ছাড়লেন মুকুল রায়। এই বিষয়ে তিনি এখনও কিছু জানাননি। তবে রায় সাহেবের ঘনিষ্ঠ মহলের খবর তৃণমূল ছেরে বিজেপিতে গেলেও অচিরেই সুতো কাটতে শুরু করেছিল ভিতরে ভিতরে।  মুকুল রায় শুধু বলেছেন, ভারতিয় জনতা পার্টি ভালো দল, বড়ো দল, শুধু তাঁর ভালো লাগেনি।

আর এই ভালো না লাগার পিছনের কারণ গুলো ব্যাখা করেছেন তাঁর ঘনিষ্ঠরা। মুকুল ঘনিষ্ঠ মহল কার্যত এক-দুই করে তালিকা তৈরি করেছেন ইতিমধ্যেই। তাঁদের বক্তব্য বঙ্গ রাজনীতির চাণক্যকে ভালো ভাবে ব্যাবহারই করতে পারেনবি বিজেপি। যেখানে ২০১৭তে দল ছেড়েই মুকুল ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচক্সনে ৪২ এ ১৮ আসন এনে দিয়েছিল সেই মুকুল কেই ২০২১ এর নির্বাচনে চুপ বসিয়ে রাখলো গেরুয়া শিবির।

২০২১ এর নির্বাচনে সিদ্ধান্ত থেকে রণকৌশল সবেতেই এক প্রকার ব্রাত্য ছিলেন তিনি। যেখানে দিলীপ-কৈলাস-অরবিন্দ সকলেই একে একে ঘুঁটি সাজাচ্ছিলেন সেখানে নিজের ফ্ল্যাটে ডাকের অপেক্ষা করছিলেন মুকুল রায়! দ্বিতীয়ত মুকুল কে ভোটে দাঁড় করানোতেও ক্ষুব্ধ অনেকে। অনেকের মতে রাজনীতির কৌশল থেকে ইচ্ছাকৃত ভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল তাঁকে।

মুকুল ঘনিষ্ঠ নেতার কথায় কট্টর হিন্দু রাজনীতি কোনদিনই পছহন্দ করেননি মুকুল রায়। এদিকে একাধিক কারণে ধীরে ধীরে দলের সঙ্গে তৈরি হচ্ছিল দুরত্ব। অনেকের মতে ২০২০ নাগদ মুকুল রায় একপ্রকার ঠিক করে ফেলেছিলেন গেরুয়া শিবির ছাড়ার কথা। তার পরেও নির্বাচন কালের আগে আটকে পড়েছিলেন দায়িত্বে।

তবে শেষ কমাসে দলে থেকেও সকলেই লক্ষ্য করেছিএলন ক্রমশই নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছিলেন তিনি। এদিকে মুকুল রায়ের তৃণমূলে ফেরার জল্পনার জল্পনা বাড়িয়ে দিয়েছিলেন খোদ মুকুল পুত্র।মুকুল জায়া হাসপাতালে ভর্তি থাকার সময়ে দেখতে গিয়েছেন অভিষেক বন্দোপাধায়। তার পর থেকেই জোর গুঞ্জন। সুত্রের খবর একাধিক অনুগামী নেতা মুকুলের বাসভবনে বৈঠকও করছেন। অনুপস্থিত থাকছেন দিলীপের ডাকা বৈঠকেও। সব মিলিয়ে তাঁর দলবদলের জল্পনা যখন তুঙ্গে তখন তৃণমূল নেতা সৌগত রায়ের মন্তব্যে পজিটিভ বার্তা সামনে এসেছিল গতকাল।

তিনি বলেছিলেন তবে মুকুল রায় কখনই মুখ্যমন্ত্রীকে প্রকাশ্যে অপমান করেননি। তার পর থেকেই গুঞ্জন ছিলোই মুকুলের ফেরা শুধু সময়ের অপেক্ষা। ঠিক তার ২৪ ঘন্টা কাটার আগেই ম্মতার সঙ্গে বৈঠকে বসছেন রায় সাহেব।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here