নজরবন্দি ব্যুরো : ইডি’র নোটিশ পাইনি দাবি মুকুলের। আগামীবছরেই রাজ্যের নির্বাচন। আসন্ন নির্বাচনে এখন মূল প্রতিপক্ষ তৃণমূল-বিজেপি। এখন রাজ্যে বিজেপির আসন জেতার মূল কান্ডারী হলেন মুকুল রায়। আর সেইরকমই কলকাতায় দাঁড়িয়েছিলেন, কৈলাস বিজয়বর্গীয়। এবার সেই মুকুল রায় ও তাঁর স্ত্রীর সম্পত্তির পূর্ণ হিসেব এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য চেয়ে নোটিশ পাঠাল এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টোরেট (ইডি)।
আরও পড়ুনঃ মর্ডানা ভ্যাকসিন আত্মপ্রকাশেই বাজিমাত! ৫০ লক্ষ ডোজ বুকিং ব্রিটেনের।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের এই খবর প্রকাশিত হতেই মুকুল রায় সাফ জানিয়ে দেন, তিনি এমন কোনও নোটিশ পাননি। পেলে অবশ্যই জানাবেন। ইডির দাবি,নথিপত্র বা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের যে সমস্ত তথ্য তিনি আগে পেশ করেছেন, তা আংশিক ও পূর্ণাঙ্গ তালিকা দিতে হবে। মঙ্গলবার এবিষয়ে বিজেপি নেতা মুকুল রায়কে তিনি বলেন, “আমি এমন কোনও নোটিশ ইডি’র পক্ষ থেকে পাইনি। আমি আগেও যা বলেছি এখনও তা বলছি।
এখানে কোনও লুকোছাপার বিষয় নেই। তবে ইডি’র নোটিশ পেলে অবশ্যই সংবাদমাধ্যমকে জানাবো”। সূত্রে খবর, ৯ নভেম্বর চিঠিটি লেখা হয়েছিল। ৩ জুলাই ই–মেল করে মুকুলবাবুর কাছে যা নথিপত্র চাওয়া হয়েছিল, ৩১ জুলাই ই–মেল করে তিনি তার অনেকটা জানিয়ে দেন। কিন্তু তাও কিছু নথি এখনও বাকি আছে। ইডি সূত্রে খবর, বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থার আর্থিক কেলেঙ্কারিতে নাম জড়িয়েছে মুকুলের। সেই সময় তিনি শাসকদলেই ছিলেন।
ইডি’র নোটিশ পাইনি দাবি মুকুলের। আর এই ঘটনায়, ২০১৩ সালে ২৩শে এপ্রিল রাজ্য পুলিশ সারদার কর্ণধার সুদীপ্ত সেন, ওই সংস্থার অন্যতম কর্ত্রী দেবযানী মুখোপাধ্যায়কে গ্রেপ্তার করে। পরে এর তদন্তভার নেয় সিবিআই। এরপরেই সুদীপ্তর গাড়িচালক অভিযোগ তোলেন, মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে। ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে কলকাতায় সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে মুকুলবাবুকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই। এছাড়াও শাসকদলে থাকাকালীন নারদ কান্ডেও নাম জড়ায় এই নেতার।



