মন্ত্রীত্ব বণ্টন নিয়ে মহা সমস্যায় পড়েছে বিজেপি। গত দু’বার একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলেও এবার সংখ্যালঘু বিজেপি। তাই ভরসা করতে হচ্ছে শরিকদের উপর। শরিকদের মন্ত্রীত্ব বন্টন থেকে শুরু করে রাজ্য ভিত্তিক দলীয় প্রতিনিধিদের মধ্যে মন্ত্রীত্ব বন্টনের কাজটা এবার বেশ কঠিন। বাংলার ক্ষেত্রে গতবার ১৮ জন এমপি ছিলেন তাঁদের মধ্যে প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছিল ৪ জনকে। এবার সংখ্যা ১২, তাঁর মধ্যেও দাবিদার অনেকে।
আরও পড়ুনঃ পূর্ণমন্ত্রী হচ্ছেন সুকান্ত মজুমদার, দিলীপের হাতেই ফের বঙ্গ বিজেপির রাশ ছাড়ছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।
আজ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শপথ নিতে পারেন ৩০ জন মন্ত্রী। তাদের শনিবার রাত থেকেই ফোন করা শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, ফোন এসেছে চিরাগ পাসওয়ান, এইচডি কুমারস্বামীর কাছে। অন্যদিকে, বাংলা থেকে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ও শান্তনু ঠাকুরের কাছেও ফোন এসেছে। ফোন এসেছে সুকান্ত মজুমদারের কাছেও। তাঁরাও মন্ত্রী হতে পারেন বলে খবর।

অন্যদিকে মন্ত্রীত্ব পাওয়ার জন্যে দাবি জানিয়েছেন বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। কদিন ধরেই অভিষেক এবং তৃণমূলের প্রশংসা শোনা যাচ্ছে তাঁর গলায়। মন্ত্রীত্বর দাবি প্রসঙ্গে সৌমিত্র বলেন, ‘সবাই তো চায়। আমিও তো চাই। আমার তো তৃতীয়বার হল। আমি তো তিনবার সাংসদ হলাম। একবার বিধায়ক হলাম। সেটা দল ঠিক করবে। আমি আবার কার জন্য় বলব?’
তাঁর কথায়, ‘আমি নিজেই তো এখন… যতগুলো সাংসদ এসেছে, ১২ জন সাংসদ এসেছে, তার মধ্য়ে তো আমি সিনিয়র মোস্ট MP এখন। আমি সেদিক থেকে সিনিয়র মোস্ট MP… সবাই দু’বার হয়েছে। আমি তো তিনবার হয়েছি। বিধায়কও ছিলাম। আপনি বলতে পারেন, দলের যুবমোর্চা সামলেছি। আমিও দাবি রাখছি।’
আমি সিনিয়র মোস্ট MP, মন্ত্রীত্ব না দিলে দল ছাড়বেন সৌমিত্র খাঁ?

উল্লেখ্য, এখন পর্যন্ত মন্ত্রীত্ব সংক্রান্ত ফোন পেয়েছেন বাংলার ৩ জন। তাঁদের মধ্য নাম নেই সৌমিত্র খাঁর। প্রশ্ন উঠছে তবেকি মন্ত্রীত্ব না পেলে দল ছাড়বেন সৌমিত্র খাঁ? তিনি নিজে অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের প্রশংসা করেছেন একাধিকবার। অন্যদিকে অভিষেক বন্দোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বিজেপির তিনজন সাংসদ ইতিমধ্যেই যোগাযোগ রেখে চলেছেন তাঁর সাথে।



