নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাত পোহালেই পুরভোট ত্রিপুরায়। এর আগে প্রায় সমস্ত বুথকেই স্পর্শকাতর ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে মোট ৬৪৪ টি বুথে হবে পুরভোট। এর মধ্যে ৩৭০ টি বুথকে অতি স্পর্শকাতর এবং ২৪৭ টি বুথকে স্পর্শকাতর বলে ঘোষণা করেছে কমিশন। পুরভোটে সমস্ত বুথ স্পর্শকাতর, যা ঘিরে শুরু জল্পনা।
আরও পড়ুনঃ বাংলা থেকে আসছে খেলোয়াড়, ত্রিপুরায় যাত্রাপালা করছে তৃণমূল: জিতেন্দ্র চৌধুরী
কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, অতি স্পর্শকাতর বুথগুলিতে মোতায়েন থাকবে পাঁচ জন করে ত্রিপুরা স্টেট রাইফেলের জওয়ানরা। এছাড়াও স্পর্শকাতর বুথগুলিতে উপস্থিত থাকবে ৪ জনে করে সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী। আগরতলা পুরসভার বুথগুলিতে রয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা। একাধিক বুথে মোতায়েন থাকবেন ত্রিপুরা স্টেট রাইফেলের ৫ জন কর্মী।
এমনিতেই ত্রিপুরায় নির্বাচনের আগে হিংসার ঘটনায় শাসক দল বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিরোধীরা। এমনকি প্রচারের দাবীতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন সুবল ভৌমিকরা। এমনকি ভোটের তারিখ পিছিয়ে নেওয়ার জন্য আদালতের কাছে আর্জি জানিয়েছেন তাঁরা। কিন্তু আদালতের তরফে তা গ্রহণ করা হয়নি। বরং নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে করানোর দাবীতে রাজ্য সরকারকে সুনিশ্চিত করার নির্দেশ দেন দেশের শীর্ষ আদালত।
বুধবার ত্রিপুরার ডিজিপি, আইজি এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে বৈঠককে শান্তি সুনিশ্চিত করার নির্দেশ দেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচুড় এবং বিচারপতি বিক্রম নাথের ডিভিশন বেঞ্চ। এই মুহুর্তে তিন ব্যাটেলিয়ন কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহলদারি জারি রয়েছে। এমনটাই সরকারের তরফে জানানো হয়েছে।
যদিও পুরভোটের প্রাক্কালে যে ধরনের ঘটনা ঘটেছে এবং কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে পুরভোটে সমস্ত বুথ স্পর্শকাতর। ফলত নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। তবে ককবরক রাজ্যে ইতিমধ্যে এক তৃতীয়াংশ আসনে জয়লাভ করেছে বিজেপি। বাকি আসনগুলিতে কতটা লড়াই দিতে পারবেন প্রতিপক্ষরা? কতটা শান্তিপূর্ণ হবে নির্বাচন? প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
পুরভোটে সমস্ত বুথ স্পর্শকাতর, মানুষের রায়ের অপেক্ষায় সমস্ত দল

এবিষয়ে ত্রিপুরা তৃণমূলের স্টিয়ারিং কমিটির আহ্বায়ক সুবল ভৌমিক জানিয়েছেন, “মানুষ আমাদের পাশে রয়েছে। মানুষ আমাদের পক্ষে রায় দেবে। শুধুমাত্র এটাই বলব সকাল সকাল এসে ভোট দেবেন। আমরাও তৈরি, ভোটাররাও তৈরি”। “মানুষের সমর্থন খুব ভালো। দেখা যাবে আগামীকাল ভোটে কী হয়”। পুরভোট নিয়ে আত্মবিশ্বাসী ত্রিপুরা সিপি(আই)এমের রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরী।



