বাংলা থেকে আসছে খেলোয়াড়, ত্রিপুরায় যাত্রাপালা করছে তৃণমূল: জিতেন্দ্র চৌধুরী

বাংলা থেকে আসছে খেলোয়াড়, ত্রিপুরায় যাত্রাপালা করছে তৃণমূল: জিতেন্দ্র চৌধুরী
বাংলা থেকে আসছে খেলোয়াড়, ত্রিপুরায় যাত্রাপালা করছে তৃণমূল: জিতেন্দ্র চৌধুরী

নজরবন্দি ব্যুরোঃ পুরভোটের প্রাক মুহুর্তে অশান্ত ত্রিপুরা। রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার ইস্যুতে শাসক দল বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিরোধীরা। সায়নী ঘোষকে গ্রেফতারের প্রসঙ্গে তৃণমূলকে সমর্থন জানিয়েছে বামেরা। পাল্টা অভিষেকের বক্তব্য, বাম-কংগ্রেস নয় বিজেপিকে হারানোর একমাত্র ক্ষমতা রয়েছে তৃণমূলের। এমত অবস্থায় ত্রিপুরা সিপি(আই)এম এর রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরী জানিয়েছেন, বাংলা থেকে আসছে খেলোয়াড়, ত্রিপুরায় যাত্রাপালা করছে তৃণমূল।

আর পড়ুনঃ সায়নীর জামিন মঞ্জুর, নাটকীয় পর্বের অবসান!

এ প্রসঙ্গে বাম নেতার মন্তব্য, “নির্বাচন মানে রাজনৈতিক লড়াই। এটা কোনও যাত্রা অথবা ফুটবল খেলা নয়। বাংলা থেকে তৃণমূল খেলোয়াড়দের নিয়ে এসে যাত্রাপালা করছেন। এভাবে গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার করা সম্ভব নয়। ত্রিপুরায় একমাত্র গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার করতে পারেন সিপি(আই)এম নেতৃতাধীন বাম জোট। ঠিক আছে তৃণমূল, বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করছে। কিন্তু ত্রিপুরায় গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার হতে পারে বামেদের হাত ধরেই”।

তিনি আরও বলেন, “আসলে লড়াইটা হল গণতন্ত্র প্রেমী বনাম গণতন্ত্র ধ্বংসকারীদের মধ্যে। তৃণমূল এবং বিজেপি নাটক করে ত্রিপুরায় ভাগ বসানোর লড়াই করছে। একমাত্র বামেরাই পারে গণতন্ত্র রক্ষা করতে। ৪০ মাস ধরে ত্রিপুরায় গণতন্ত্রের নিধন করেছে বিজেপি। যার বিরুদ্ধে গণতন্ত্রপ্রেমীদের একজোট হতে হবে। ২৮ নভেম্বর রায় বের হলেই বোঝা যাবে মানুষ গণতন্ত্রের পক্ষে রায় দেবে”।

Image

ত্রিপুরায় আইনশৃঙ্খলা প্রসঙ্গে ত্রিপুরার সিপি(আই)এমের রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরীর মন্তব্য, “রাজ্যের সংবিধান অচল হয়ে রয়েছে। সেটা আরও স্পষ্ট হয়েছে যখন নগরের নির্বাচনে দেশের শীর্ষ আদালতকে হস্তক্ষেপ করতে হচ্ছে। আসলে গত কয়েক বছর ধরে ত্রিপুরাকে গবেষণাগারে পরিণত করেছে বিজেপি। যেখানে ফ্যাসিস্ট শক্তির ব্যবহার করা হচ্ছে”।

বাংলা থেকে আসছে খেলোয়াড়, অভিষেককে কড়া জবাব ত্রিপুরা সিপি(আই)এমের

cpim
বাংলা থেকে আসছে খেলোয়াড়, অভিষেককে কড়া জবাব ত্রিপুরা সিপি(আই)এমের

পুরভোট ঘিরে ক্রমাগত বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। আদালতের অবমাননার অভিযোগ তুলে ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে তৃণমূল। অন্যদিকে, পিছিয়ে নেই বামেরাও। মঙ্গলবারই নির্বাচনের প্রচারের শেষ দিন। এরপর ২৫ নভেম্বর নির্বাচন। আগরতলায় কার সরকার? কাকে সমর্থন করবে আগরতলার মানুষ? সারা দেশের নজর ত্রিপুরার দিকে।