নজরবন্দি ব্যুরোঃ দুটি সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন, ভাতা নেওয়া, ১০০ দিনের সরকারী প্রকল্পের টাকা সহ সরকারী টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। শামসুল ইসমাল নন্দীগ্রামের তৃণমূল নেতা বলে জানা গেছে। বিরোধীদের পর সেই একই অভিযোগ তুললেন বিডিও। এরপরেই গ্রেফতার নন্দীগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের দাউদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শামসুল ইসলাম। তাঁর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ Nirmal Majhi: মুখ্যমন্ত্রীর বিরোধিতা করলে হবে না বদলি, বেফাঁস মন্তব্য নির্মলের


নন্দীগ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরেই শুক্রবার রাতেই গ্রেফতার করা হয়েছে গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানকে। একশো দিনের কাজে দুর্নীতি থেকে গাছ কাটার টাকা হাতিয়ে নেওয়া সহ একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে উঠছিল শামসুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

এর আগেও কলকাতা হাইকোর্টে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিলেন পঞ্চায়েতেরই তিন সদস্য। অভিযোগ, ব্যাঙ্কের লাভজনক পদে চাকরী করার পরেও প্রধানের পদ ধরে রেখেছিল সে। এমনকি জলের কাজ না করেই সমাপ্তির বোর্ড লাগিয়ে রাখা হয়েছে।


১২ জন সদস্যদের মধ্যে ৯ জন শামসুলের পক্ষের। কিন্তু বাকি ৩ জন দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিডিওর কাছে অভিযোগ দায়ের করে। তদন্ত করলে দুর্নীতি বিষয়টি সামনে উঠে আসে। ৬ এপ্রিল শামসুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। জেলা পুলিশ সূত্রে খবর, দু’বার নোটিশ দেওয়ার পরেই শামসুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সরকারী টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে, গ্রেফতার প্রধান

পুলিশ সূত্রে খবর, দাউদপুরের পঞ্চায়েত প্রধানকে আটকের কারণে অশান্তি ছড়াতে পারে। তাই শামসুলকে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আজই হলদিয়া আদালতে পেশ করা হতে পারে তাঁকে। অন্যদিকে, তিনি পঞ্চায়েত সদস্যদের নিরাপত্তার বিষয়েও আদালতের কাছে আর্জি জানানো হতে পারে।







