প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ফের আন্তর্জাতিক মঞ্চে সম্মানিত হলেন। নামিবিয়া সরকার তাঁকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান—“Order of the Most Ancient Welwitschia Mirabilis”-এ ভূষিত করেছে। এই পুরস্কারটি তাঁর বিশ্বব্যাপী শান্তি, ন্যায়বিচার এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ প্রদান করা হয়।
এই সম্মান মোদীর বিদেশ সফরের ২৭তম আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। একইসঙ্গে এটি চলতি সফরের চতুর্থ বড় সম্মান, যা ভারত-নামিবিয়া কূটনৈতিক সম্পর্কের এক নতুন দিক উন্মোচন করল।
দুই দেশের মধ্যে সই ৪টি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিঃ
নামিবিয়া সফরে মোদী এবং নামিবিয়ার প্রেসিডেন্ট ডঃ নেতুম্বো নন্দী-নদাইতওয়াহ মিলিতভাবে ৪টি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তিগুলির মূল ক্ষেত্র:
ডিজিটাল প্রযুক্তি ও ইউপিআই সেবা: চলতি বছরের শেষেই নামিবিয়াতে ভারতের UPI (Unified Payments Interface) চালু হতে চলেছে। এটি হবে NPCI-এর সহায়তায় আফ্রিকায় প্রথম বড় পদক্ষেপ।
প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা: দুই দেশ সামরিক সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ভাগ করে নেওয়ারও পরিকল্পনা করছে।
কৃষি ও স্বাস্থ্য পরিষেবা: যৌথ উদ্যোগে কৃষি প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন ঘটানোর পরিকল্পনা।
শিক্ষা ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজ: উভয় দেশ শিক্ষা বিনিময় ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পদার্থে যৌথ অনুসন্ধানে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
“ওয়েলউইটসচিয়া মিরাবিলিস” সম্মান: কী বললেন দুই রাষ্ট্রনেতাঃ
সম্মান প্রদান করে নামিবিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন:
“নরেন্দ্র মোদী শুধু ভারতের প্রধানমন্ত্রী নন, বিশ্বে শান্তি, সামাজিক ন্যায় এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম কণ্ঠস্বর।”
এই সম্মান গ্রহণ করে মোদী বলেন:
“আমি ১.৪ বিলিয়ন ভারতীয়র পক্ষ থেকে এই সম্মান মাথা নত করে গ্রহণ করছি। নামিবিয়ার সরকার ও জনগণের প্রতি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।”
নামিবিয়া-ভারত সম্পর্কের ভবিষ্যৎঃ
এই সফরের মাধ্যমে ভারত ও নামিবিয়ার মধ্যে এক নতুন যুগের সূচনা হল। মোদীর নেতৃত্বে ভারতের কূটনৈতিক নীতি আরও বেশি আফ্রিকা-কেন্দ্রিক এবং গ্লোবাল সাউথ-এর পক্ষে শক্তিশালী হচ্ছে বলে মত আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের।



