ধৃত জঙ্গিদের অ্যাকাউন্টে লক্ষ লক্ষ টাকা, তদন্তে মিলেছে ২২ জনের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ ধৃত জঙ্গিদের অ্যাকাউন্টে লক্ষ লক্ষ টাকা, মুর্শিদ হাসান, নাজমুস সাকিব, আতিউর রহমান ও আবু সুফিয়ানের অ্যাকাউন্টে লক্ষ লক্ষ টাকা! কি ভাবে এলো এই টাকা? তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারী অফিসাররা। আল কায়দা নাশকতামূলক ক্রিয়াকলাপ চালাতে যে আর্থিক মদত দিত রাজ্যের জঙ্গিদের তা পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ ঘুরে কেরল ও মুর্শিদাবাদের জঙ্গি নেতাদের হাতে পৌঁছত। সন্দেহ করা হচ্ছে সেই টাকা এই অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে।

আরও পড়ুনঃ অনুরাগের শাস্তির দাবিতে গাঁধী মূর্তির পাদদেশে অবস্থান বিক্ষোভ রূপার।

Shamim Ahamed Ads

তদন্তে নেমে গোয়েন্দারা জানতে পেড়েছেন  একেকজন মাসে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেয়েছে। এএনআইএ সূত্রে খবর পাকিস্তান-পৃষ্ঠপোষকতাযুক্ত আল-কায়েদা জঙ্গিরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ব্যক্তিদের রেডিক্যালাইজ করেছে। প্রত্যেকে পাকিস্তানে বসে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের তত্ত্বাবধানে কাজ করেছেন। কখনও কখনও বাংলাদেশ থেকে সন্ত্রাসীরা অবৈধভাবে এখানকার ঘাঁটিগুলিতে সীমান্ত অতিক্রম করে আসত এবং উস্কানিমূলক বক্তৃতা দিয়ে সংগঠনের নতুন সদস্যদের উস্কে দিতো।

মুর্শিদাবাদ থেকে মালদহ, দক্ষিণ দিনাজপুর, বীরভূমের বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে যুবকদের মগজ ধোলাই করার জন্য যাতায়াতের খরচ ওই টাকা থেকেই করতে হত। এছাড়াও বিস্ফোরক বর্ম তৈরির জন্য খরচ আসত পাকিস্তান থেকেই। অপর দিকে রাজ্যে ধৃত ৬ জঙ্গিকে জেরা করে উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। গতকালই মুর্শিদাবাদ থেকে ধৃত জঙ্গি আবু সুফিয়ানের ফোন ঘেঁটে তদন্তকারীদের হাতে এসেছিল ২২ সদস্যের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ।

ধৃত জঙ্গিদের অ্যাকাউন্টে লক্ষ লক্ষ টাকা, যে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের পুরো কথোপকথনই ছিল ডিলিটেড ফর্ম্যাটে। অর্থাত মুছে দেওয়া হয়েছিল পুরো কথোপকথনই। NIA-এর আইটি সেল সেই মুছে দেওয়া ডেটা উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে। ইতিমধ্যেই তদন্তে খোঁজ মিলল জঙ্গিদের আরও একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত