নজরবন্দি ব্যুরোঃ সুখবর মেট্রো যাত্রীদের কাছে, আগামী কাল থেকে ফের চালু হচ্ছে মেট্রোতে টোকেন (Token)। পয়লা ফেব্রুয়ারি থেকে অর্থাৎ মঙ্গলবার থেকেই টোকেন কিনে যাতায়াত করতে পারবেন নিত্যযাত্রীরা। করোনা (Coronavirus) আবহে মাঝে টোকেন ব্যবস্থা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল মেট্রো (Metro)। সংক্রমণের হার একটু কমতেই নিত্যযাত্রীদের সুবিধার কথা ভেবে তা আবার চালু করা হয়।
আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রীর অ্যাকাউন্ট ব্লকের পাল্টা দিলেন রাজ্যপাল


রবিবার রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, একদিনে সংক্রমিত সাড়ে ৩ হাজারেরও কম। কোভিড (COVID-19) পরিস্থিতিতে প্রায় ২০ মাস বন্ধ ছিল টোকেন ব্যবস্থা। শুধুমাত্র স্মার্ট কার্ড ব্যবহার করেই যাত্রীদের যাতায়াত করতে হত। পরে মারণ ভাইরাসের প্রকোপ একটু কমলে টোকেন ব্যবস্থা চালু করা হয়। কিন্তু আবারও করোনার প্রকোপ বেড়ে যায়। তৃতীয় ঢেউয়ের ধাক্কা সামলাতে টোকেন বন্ধ করে দেওয়া হয়। এখন অতিমারীর ধাক্কা কাটিয়ে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছে বাংলা।
করোনার কবল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯৭৫০ জন। সুস্থতার হার ৯৭ শতাংশের বেশি। অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা বেশ খানিকটা কমে দাঁড়িয়েছে সাড়ে ৩১ হাজারের সামান্য বেশি। এমন পরিস্থিতিতেই আবার স্মার্ট টোকেন (Smart Tokens) চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গতবারের মতো এবারও টোকেনগুলি মেশিনের সাহায্যে জীবাণুমুক্ত করা হবে। ইলেক্ট্রনিক আলট্রা ভায়োলেট লাইটের সাহায্যে স্যানিটাইজেশনের এই কাজ করা হবে। গতবার টোকেন চালুর সময়ই মেট্রোর প্রতিটি স্টেশনে স্যানিটাইজেশনের জন্য বিশেষ মেশিন বসানো হয়েছিল। তার মাধ্যমেই টোকেনগুলি স্যানিটাইজ করা হবে।
যাত্রীদের ব্যবহার করা টোকেনগুলি স্যানিটাইজ করতে মাত্র চার মিনিট সময় লাগবে বলেই জানা গিয়েছে। যে স্টেশনগুলিতে বেশি ভিড় হয়, সেখানে দু’টো টোকেন স্যানিটাইজ মেশিন থাকছে। কম ভিড়ে যে স্টেশনগুলিতে থাকে, সেখানে একটি করে মেশিন রাখার কথা। টোকেন ব্যবস্থা চালু হলে যাত্রীদের সুবিধা হবে বলেই মনে করছেন অনেকে। অনেকে আবার ভিড় বাড়ার আশঙ্কাও করছেন।


কলকাতা মেট্রোর (Kolkata Metro) ভাঁড়ারে বরাদ্দ কত হবে, কেন্দ্রীয় বাজেট পেশের আগে চর্চা প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে। আগে রেল বাজেট পেশের সময়ে জানা যেত বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমাণ। আর এখন পিঙ্ক বুক প্রকাশ পেলেই জানা যাবে পরিমাণ। তবে ইস্ট ওয়েস্ট, জোকা-এসপ্ল্যানেড, গড়িয়া-বিমানবন্দর মেট্রো প্রকল্প, নোয়াপাড়া -বিমানবন্দর-বারাসাত প্রকল্পে ববরাদ্দকৃত অর্থের পরিমাণ বাড়বে বলেই আশা করছে রাজ্যের মানুষ।
আগামী কাল থেকে ফের চালু হচ্ছে মেট্রোতে টোকেন, বড়সড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

২০২০ সালের বাজেটে,নোয়াপাড়া-বারাসত প্রকল্পে ২০০ কোটি, দক্ষিণেশ্বর প্রকল্পে ১০ কোটি,জোকা-বিবাদী বাগ ৯৯ কোটি, সেন্ট্রাল পার্ক-হলদিরাম ১ কোটি, এয়ারপোর্ট-নিউ গড়িয়া ৩২৮ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়। গত বছর পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাজেট পেশ হয়, সেখানে বরাদ্দ হয়, নোয়াপাড়া-বারাসত ৫২০ কোটি, দক্ষিণেশ্বর ১ কোটি,এয়ারপোর্ট-নিউ গড়িয়া ৩৫০ কোটি,জোকা-বিবাদী বাগ ৩৫০ কোটি,সেন্ট্রাল পার্ক-হলদিরাম ১০ কোটি টাকা৷ ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রো প্রকল্পে ২০২০ সালে বরাদ্দ ছিল ৯০৫ কোটি, ২০২১ সালে বরাদ্দ হয় ৯০০ কোটি।
দক্ষিণেশ্বর অবধি প্রকল্পের কাজ শেষ। তবে বাকি প্রকল্পগুলির জন্যে কত বরাদ্দ হয় সেদিকেই নজর সকলের। গত বাজেট বক্তৃতায় দেশে মেট্রো প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে বলতে গিয়ে নির্মলা জানিয়েছিলেন, দেশে ৭০২ কিলোমিটার পথে মেট্রো চলাচল করে। আরও ১০১৬ কিলোমিটার মেট্রো পথ তৈরির কাজ সরকার হাতে নিয়েছে। বিভিন্ন শহর এবং শহরতলির মধ্যে যোগাযোগ দ্রুত করতে ‘মেট্রো লাইট’ এবং ‘মেট্রো নিয়ো’ প্রকল্পে গুরুত্ব দেওয়ার কথাও বলেছিলেন নির্মলা।







