কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে লিওনেল মেসির উপস্থিতি ঘিরে উন্মাদনার কমতি ছিল না। বহু দর্শক আকাশছোঁয়া দামে টিকিট কেটে এসেছিলেন শুধু এক ঝলক প্রিয় তারকাকে কাছ থেকে দেখবেন বলে। কিন্তু বাস্তবে সেই প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন দর্শকদের একাংশ।
আয়োজকদের প্রাথমিক পরিকল্পনা ছিল, পুরো স্টেডিয়াম হেঁটে ঘুরে দর্শকদের শুভেচ্ছা জানাবেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী তারকা। কিন্তু নিরাপত্তা ও সময়সংকটের কারণে সেই পরিকল্পনা শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি। অর্ধেক গ্যালারি ঘুরেই মাঠ ছাড়তে দেখা যায় মেসিকে।


সাড়ে এগারোটা নাগাদ গাড়িতে করে যুবভারতীতে প্রবেশ করেন লিওনেল মেসি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন লুইস সুয়ারেজ় ও রদ্রিগো দি পল। স্টেডিয়ামে ঢুকে হাসিমুখে হাত নাড়িয়ে দর্শকদের অভিবাদন জানান তিনি। প্রাক্তন ফুটবলারদের পাশাপাশি মোহনবাগান মেসি অলস্টার ও ডায়মন্ড হারবার মেসি অলস্টারের খেলোয়াড়দের সঙ্গে করমর্দন করতেও দেখা যায় তাঁকে।
তবে গ্যালারির একাংশ থেকে তখনই অসন্তোষের ইঙ্গিত মিলতে শুরু করে। বহু দর্শক অভিযোগ করেন, তাঁরা দূর থেকে মেসিকে দেখলেও প্রত্যাশিত ‘স্টেডিয়াম পরিক্রমা’ না হওয়ায় কাছ থেকে দেখার সুযোগ পাননি। সেই হতাশা থেকেই কয়েকটি জায়গায় গ্যালারি থেকে বোতল ছোড়ার ঘটনাও ঘটে বলে জানা গিয়েছে।
যুবভারতীতে উপস্থিত মেসিভক্তদের আবেগ ছিল তুঙ্গে। কেউ চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি, আবার কেউ হতাশা চেপে রাখতে পারেননি। ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা তারকার উপস্থিতি কলকাতার ক্রীড়াঙ্গনে স্মরণীয় হলেও, আয়োজনের সীমাবদ্ধতায় সেই অভিজ্ঞতা সকলের কাছে সমান হয়ে উঠল না— এমনটাই মত দর্শকদের একাংশের।










