নজরবন্দি ব্যুরোঃ কেন্দ্রিয় সরকারের ‘অগ্নিপথ’ প্রকল্পের বিরোধিতায় শনিবার বিহার জুড়ে ২৪ ঘন্টার বন্ধের ডাক দিইয়েছে সমস্ত ছাত্র সংগঠনগুলি। শনিবারেও অগ্নিগর্ভ বিহার। একাধিক ট্রেন বাতিল করেছে পূর্ব রেলওয়ে। ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি সারা পাটনা জুড়ে।
আরও পড়ুনঃ Sourav Ganguly: কবে আসছে বায়োপিক? জানালেন খোদ দাদা


পাটনায় তারেগোনা স্টেশনে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় বিক্ষোভকারীরা। স্টেশনের সামনে থাকা জিআরপির একাধিক গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। এরপর পুলিশকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউণ্ড গুলি ছোঁড়ার অভিযোগ উঠেছে। পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যায়। রাস্তায় নেমে বিক্ষোভদেখাতে শুরু করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। একাধিক জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করতে হয় পুলিশকে।
শুধুমাত্র ছাত্ররা নয়, এদিন একাধিক জায়গায় বিক্ষোভের পাশাপাশি ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে পাপ্পু যাদবের দলের বিরুদ্ধে।



সকালেই জেহানাবাদে একটি লরিতে আগুন লাগিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। এরপরেই বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের খণ্ডযুদ্ধ শুরু হয়। বেশ কয়েকজনকে আটক করে পুলিশ। বেলা গড়াতেই পরিস্থিতি আরও বেগতিক হয়ে ওঠে। একাধিক বাসে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে।
বিহারের মুঙ্গেরে বিডিও অফিসারের গাড়ি ভাঙচুর করে দেওয়া হয়। যদিও বিডিওর ওপরে কোনও আঘাত আসেনি বলেই জানা যাচ্ছে। সেইসঙ্গে ওই এলাকায় থাকা সমস্ত গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। মুঙ্গেরের তারাপুর বিডিও অফিসে তুমুল ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠেছে। জামুইতে পুলিশকে লক্ষ্য করে এদিনেও পাথর ছুঁড়তে শুরু করেছে বিক্ষোভকারীরা।

বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, সেনাবাহিনীতে যোগদান আমাদের কাছে স্বপ্ন। এটা শুধুমাত্র চার বছরের জন্য নয়। চার বছর পর যদি অন্য কাজ করতে হয় তাহলে সোজা ওই কাজই করব। যে ট্রেনিং করতে দেড় বছর লাগে সেটা ৬ মাসের মধ্যে সরকার কীভাবে সম্পূর্ণ করবে?
শনিবারেও অগ্নিগর্ভ বিহার, জ্বলছে পাটনা

অন্যদিকে, অগ্নিপথ প্রকল্পের বিরোধিতা জানিয়ে সুপ্রিমো কোর্টে জনস্বার্থ মামলা। নয়া প্রকল্প খতিয়ে দেখার জন্য সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির নেতৃত্বাধীন একটি কমিটি গঠন করতে হবে বলে জানানো হয়েছে।দেশের সেনা বাহিনীতে এর কী প্রভাব রয়েছে? সেটা খরিয়ে দেখবে এই কমিটি। পাশাপাশি দেশজুড়ে বিক্ষোভের ঘটনায় সিট গঠন করে তদন্তের আর্জি জানানো হয়েছে।







