নজরবন্দি ব্যুরো: দু সপ্তাহ সাময়িক শান্ত থাকার পরে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল মণিপুর। শুক্রবার সকালে মণিপুরের উরখুল এলাকায় দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হল অন্তত তিনজনের। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন হামলা হয় উরখুলের থোয়াই কুকি গ্রামে। সেখানে যারা মারা গিয়েছেন তাঁরা সবাই গ্রাম রক্ষাবাহিনীর সদস্য।
আরও পড়ুন: আজ বালুরঘাটের স্বাধীনতা দিবস, পতাকা উত্তোলন করলেন সুকান্ত
এদিন ভোর ৫টা নাগাদ ওই গ্রামে এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে সশস্ত্র দুষ্কৃতীরা। তারপরেই নিখোঁজ ছিল গ্রামরক্ষা বাহিনীর তিনজন সদস্য। পরে ওই গ্রামের নিকটবর্তী এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয় তাঁদের গুলিবিদ্ধ রক্তাক্ত মৃতদেহ। নিহতরা হলেন ২৬ বছরের জামখোগিন হাওকিপ, ৩৫ বছরের থাংখোকাই হাওকিপ এবং ২৪ বছরের হলেনসন বেইট।

ঘটনাটি হিংসা-বিধ্বস্ত মণিপুরের সর্বশেষ ঘটনা যেখানে মেইতেই সম্প্রদায়ের তফসিলি উপজাতির মর্যাদার দাবির প্রতিবাদে পার্বত্য জেলাগুলিতে একটি ‘উপজাতি সংহতি মার্চ’ সংগঠিত হওয়ার পরে ৩ মে থেকে জাতিগত সংঘর্ষ শুরু হয়। হিংসা শুরু হওয়ার পর থেকে ১২০ জনেরও বেশি মানুষ মারা গেছে এবং ৩,০০০ এরও বেশি মানুষ আহত হয়েছে।
সাময়িক শান্ত থাকার পরে ফের উত্তপ্ত মণিপুর, গোষ্ঠী সংঘর্ষে মৃত্যু তিন জনের
হিংসার জেরে ঘরছাড়া প্রায় ৬০ হাজার মানুষ। অসহায় মানুষের ভিড়ে উপ

চে পড়ছে ত্রাণ শিবিরগুলি। যদিও অনাস্থা প্রস্তাবের জবাবি ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, গোটা দেশ মণিপুরের পাশে রয়েছে। স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লার ভাষণে প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, বিগত কয়েক দিন ধরে সে রাজ্যে শান্তি ফিরেছে। তার পরেই ফের মৃত্যুর খবর মিলল মণিপুরে।




