নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিয়োগ দুর্নীতিতে মানিকের পাশাপাশি যুক্ত হয়েছে মানিক পুত্র ও স্ত্রীয়ের নাম। এই মুহুর্তে জেলে রয়েছেন দুই জনেই। ১৪ দিন জেলে কাটিয়েও জামিন চাইলেন না দুই জনেই। সোমবার নগর দায়রা আদালতে দুই জনকে পেশ করা হলে জামিনের আবেদন জানালেন না কেউই। অন্যদিকে, পরবর্তী শুনানির জন্য আদালতের কাছে একটুই বেশী সময়ের আর্জি জানানো হয়। আরও কয়েক দিন জেলে কাটাতে হবে মানিক স্ত্রী ও পুত্রকে। নির্দেশ দিল আদালত।
আরও পড়ুনঃ Mamata Banerjee: আমরা কেন্দ্রের থেকে বেশি ছুটি দিই, DA ইস্যুতে নয়া যুক্তি মমতার!
এরপরেই দেখা যায় আদালতের তরফে আগামী ১৯ তারিখ অবধি মানিকের পুত্র ও স্ত্রীকে জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয় আদালতের তরফে। ২২ ফেব্রুয়ারি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হন মানিক ভট্টাচার্যের স্ত্রী ও পুত্র। আদালতে আত্মসমর্পণ করেন তাঁরা। মানিকের সঙ্গে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মানিকের স্ত্রী ও পুত্রের নাম যুক্ত ছিল। নাম ছিল মানিক ভট্টাচার্য ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডলেরও। অভিযোগ নিয়োগ দুর্নীতির টাকা মানিকের স্ত্রী এবং পুত্রের কাছেও গেছে। আদালতে আত্মসমর্পণ করেন দুই জনেই। তারপর থেকে আলিপুরের মহিলা সংশোধনাগারে রাখা হয় মানিক স্ত্রী শতরূপাকে। অন্যদিকে প্রেসিডেন্সি জেলে ছিলেন শৌভিক।

অন্যদিকে, ইডির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন শৌভিক ও শতরূপা। সেই মামলা এখনও আদালতে বিচারাধীন। নিয়োগ মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি তথা বিধায়ক মানিকের বিরুদ্ধে যে সমস্ত অভিযোগ রয়েছে, সে বিষয়ে এরা দু’জনেই অনেক কিছু জানেন বলেও দাবি ইডির।
আরও কয়েক দিন জেলে কাটাতে হবে মানিক স্ত্রী ও পুত্রকে, নির্দেশ আদালতের

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ১৫৮ পাতার চার্জশিট জমা দিয়েছে ইডি। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত কলেজে অফলাইনে রেজিস্ট্রেশনের নামে মোট ২০ কোটি ৭৩ লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছিল। এই ফান্ড সংগ্রহ করেছে মানিক ঘনিষ্ঠ তাপস মন্ডল। সেই টাকার ভাগ চলে যেত মানিক সহ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছেও।



