কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের বিরুদ্ধে শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগ তুললেন তৃণমূলের রাজ্য সভার সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর। রবিবার রাতে ঠাকুরনগরের মতুয়া ঠাকুরবাড়িতে ঘটে যায় একটা অপ্রত্যাশিত ঘটনা। প্রয়াত বড়মা বীণাপাণি দেবীর ঘরের ‘দখল’ নিতে গিয়ে মমতাবালা ও তাঁর মেয়েকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়েছেন বলে অভিযোগ মমতাবালার।
আরও পড়ুন: এস সি-এসটি সংখ্যালঘুদের মধ্যে বণ্টন হবে দেশের সম্পদ, ইস্তাহারে প্রতিশ্রুতি কংগ্রেসের
কেন ঘটল এই ঘটনা? ২০১৯ সালে বড়মা বীণাপাণি দেবীর প্রয়াণের পর থেকে মতুয়া ঠাকুরবাড়িতে বড়মার ঘরে থাকা শুরু করেন শান্তনু ঠাকুর। আর তা নিয়েই ‘রাগ’ বনগাঁর সাংসদের। রবিবার রাগ এমনই মাত্রা ছাড়ায় যে শান্তনু নিজেই শাবল, হাতুড়ি দিয়ে সেই ঘর ভেঙে প্রবেশ করেন। পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও দুই পক্ষ তৈরি হয়েছে। শান্তনুর পক্ষের লোকজনও এই কাজে তাঁকে সাহায্য করেছেন বলে অভিযোগ মমতাবালার।

এই ঘটনা প্রসঙ্গে মমতাবালা বলেছেন, “বড়মা নারী সমাজে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। আমরা তাঁকে পুজো করি। শান্তনু ঠাকুর জুতো পায়ে লাথি মেরে তালা ভেঙে বড়মার ঘরে ঢুকেছে। শুধু তাই নয়, আমি ও আমার মেয়ে ঘরের দরজার পাশে বসেছিলাম। আমাদের ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়ে বড়মার ঘরে জুতো পায়ে ঢুকেছে!”

শান্তনুর বিরুদ্ধে শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগ মমতাবালার, ধুন্ধুমার কাণ্ড মতুয়া ঠাকুরবাড়িতে
একই সঙ্গে, নরেন্দ্র মোদী ও বিজেপি সরকারকে নিশানায় নিয়ে মমতাবালা বলেছেন, “নরেন্দ্র মোদী নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে অনেক ভাষণ দেন। এদিকে ওনার দলের লোক মহিলাদের ওপর অত্যাচার করছে। বিজেপি ক্ষমতায় থাকলে মহিলাদের সুরক্ষার কী হবে? আমি এই ঘটনার বিচার চাই।”




