চণ্ডীপাঠ করে মঙ্গল কামনা করেছেন নন্দীগ্রামের, মানুষের অনুমতি নিয়েই মনোনয়ন জমা দেবেন মমতা।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরো: চণ্ডীপাঠ করে মঙ্গল কামনা করেছেন নন্দীগ্রামের, মানুষের অনুমতি নিয়েই মনোনয়ন জমা দেবেন মমতা। প্রার্থী ঘোষণার পর নিজের কেন্দ্রে গিয়ে এমনটাই বললেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। আর মমতার এই বক্তব্যে ফের তাঁর ঘরের মেয়ে ইমেজকেই দেখছেন ওয়াকিবহাল মহল। কথা দিয়ে কথা রেখেছেন, সেই মতোই তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকায় নন্দীগ্রামের পাশে লিখে রেখেছিলেন নিজের নাম।

আরও পড়ুনঃ বাংলার ভোটে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি নিষিদ্ধ হোক, আর্জি খারিজ করল শীর্ষ আদালত

আর তালিকা প্রকাশের পর আজ প্রথম পা দিলেন নন্দীগ্রামে। মুখ্যমন্ত্রী আসবেন, এসে থাকবেন পাশের বাড়িতে, সামনে দাঁড়িয়ে বলা যাবে না বলা কথা গুলো, এসব ভেবেই গত কয়েকদিন ধরে উত্তেজনায় ফুটছে গোটা নন্দীগ্রাম। মুখ্যমন্ত্রীর কেন্দ্র সফরের আগেই যে জায়গা একদশক আগে ক্ষমতা কায়েমের রাস্তা দেখিয়েছিল সেখানেই পোস্টার পড়েছিল কিছু জায়গায়, বহিরাগত নয় নন্দীগ্রাম চায় ভূমিপুত্রকেই। যদিও মমতা অবিচল, নন্দীগ্রামের ভূমিপুত্র তথা তাঁরই প্রাক্তন সেনাপতি শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে লড়তে।

নন্দীগ্রামে পৌঁছেই কর্মীসভা করলেন মমতা। নামলেন একেবারে সভার পাশেই। বিন্দু মাত্রও সময় নষ্ট না করেই শুরু করেছেন প্রচার জোরকদমে। সূত্রের খবর এই কয়েকদিনেই নন্দীগ্রাম কে পাখির চোখ করে নিজের নকশা তৈরি করে ফেলেছেন মাননীয়া। নন্দীগ্রামে প্রচার থেকে নির্বাচনের কাজ সমস্ত দেখাশোনার জন্য তৈরি হয়েছে একটি বিশেষ দল। যার দায়িত্বে আছেন সুখেন্দু শেখর রায় এবং দোলা সেন। নন্দীগ্রামে মমতার হয়ে কাজ করতে চেয়েছিলেন পূর্ণেন্দু বসু, দলে আছেন তিনিও। নন্দীগ্রামে পৌঁছেই মমতা জনাংযোগকে আরো মজবুত বানানোয় মনোনিবেশ করছেন বলেই সূত্রের খবর।

চণ্ডীপাঠ করে মঙ্গল কামনা করেছেন নন্দীগ্রামের, মঞ্চ থেকেই তিনি স্মৃতিচারণ করেছেন দশক আগে ঘটে যাওয়া ঘটনার, বলেছেন আন্দোলনের জন্য নন্দীগ্রাম সিঙ্গুরকে জুড়ে দেওয়ার কথা। নন্দীগ্রাম আন্দোলনের জন্য নিজের বাড়ির কালীপুজোর দিনেও যাননি তিনি, এসব প্রসঙ্গে তিনি বলেন নন্দীগ্রামের কথা সবাই জানে, আরো বলেন ভুলতে পারি নিজের নাম ভুলবো নাকো নন্দীগ্রাম। আর সবকিছুর মধ্যেই ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে বার বার ফুটে উঠেছে বাড়ির মেয়ের ইমেজ। যেখানে মনোনয়নের আগের দিন মুখ্যমন্ত্রী ভরা সমাবেশে বলছেন, নন্দীগ্রামের মানুষের উন্মাদনা দেখে মনে হয়েছিল, তবেই আমি ভবানীপুর ছেড়ে আজ এখানে, এখনো যদি বলেন আমাকে চান না, আমি মনোনয়ন জমা না দিয়েই ফিরে যাবো কলকাতা…

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

সদ্য প্রকাশিত

এই ক্যাটেগরির আরও খবর