কালীঘাটের মন্দিরে পুজো দিয়ে দুপুর ৩টে নাগাদ সংহতি যাত্রায় বেরোন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাজরা পার্ক থেকে শুরু হয় এই যাত্রা। শেষ হবে পার্ক সার্কাসে। এরপর বক্তব্য রাখবেন তৃণমূল নেত্রী। সর্বধর্ম সমন্বয়ের বার্তা দিতে এদিন মমতার সঙ্গে সংহতি যাত্রায় অংশ নিলেন বিভিন্ন ধর্মগুরুরা। বিতর্কের অবসানও ঘটল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের যোগদানে।
আরও পড়ুন: অযোধ্যায় রামমন্দির উদ্বোধন সম্পন্ন, অভিষেককে সঙ্গে নিয়ে কলকাতায় সংহতি যাত্রায় মমতা
যেদিন রামমন্দিরের উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে যখন গোটা দেশ উদ্বেলিত ঠিক সেদিনই সংহতি যাত্রায় নামলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পূর্ব নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী যাত্রায় বেরিয়ে মসজিদ, গির্জা ও গুরুদ্বারা গেলেন তৃণমূলনেত্রী। গড়চার কাছে একটি গুরুদ্বারে চাদর চড়ান মুখ্যমন্ত্রী। এরপর পার্ক সার্কাস পৌঁছে একটি গির্জায় গিয়ে প্রার্থনা করেন। সবশেষে যান মসজিদে। সেখানে গিয়েও চাদর চড়ান তিনি।

নবীন-প্রবীণ বিতর্ক চলছে তৃণমূল শিবিরের অন্দরে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে ‘ঠাণ্ডা যুদ্ধ’ চলছে বলেও তরজা শুরু হয়। এরই মধ্যে আবার সংহতি যাত্রার কোনও প্ল্যাকার্ডে শুধু মমতার ছবি থাকায় যেন বিতর্কের আগুনে ঘি পড়ে। তবে, আজ মিছিল শুরু হবার পর হাজরা মোড় থেকে যোগ দেন অভিষেক। একেবারে মমতার পাশে রয়েছেন তিনি। অর্থাৎ, যে বিতর্ক চলছে সেই বিতর্কে সুকৌশলে জল ঢেলে দিলেন তৃণমূলের দুই প্রধান।

সর্বধর্ম সমন্বয়ের বার্তা মমতার, মন্দির-গুরুদ্বার-গির্জা ঘুরে মসজিদে চাদর চড়ালেন TMC নেত্রী

অভিষেক ছাড়াও এই যাত্রায় অংশ নিয়েছেন তৃণমূলের প্রথম সারির নেতারা। এই মুহূর্তে মিছিল প্রায় শেষের পথে। প্রসঙ্গত, আজ কলকাতা শহরে মোট ৬০টি মিছিল বেরিয়েছে। মিছিল করেছে বিজেপি ও সিপিআইএম। অযোধ্যার রামমন্দির উদ্বোধনের বিরোধিতাতেই রাস্তায় নেমেছে তৃণমূল ও বামেরা।



