নজরবন্দি ব্যুরোঃ আদালত সিদ্ধান্ত নেবে, সকাল ১০টা ৪৫ থেকে প্রায় গোটা দিন থেকে এবার নিজাম প্যালেস ছাড়লেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ববি-সুব্রত-মদনকে গ্রেপ্তার করতেই নবান্ন যাওয়ার পথেই নিজাম প্যালেসে ঢুকেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার পর থেকেই এতক্ষণ পর্যন্ত টানা সেখানেই ছিলেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ আসরে অভিষেক, ভরসা রাখতে বললেন আইনে, মানতে বললেন লকডাউনের রুলস
বিনা নোটিসে আজ সকালেই মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যায়কে নিজাম প্যালেসে নিয়ে যাওয়া হয়। নিয়ে যাওয়া হয় ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়কেও। নিজাম প্যালেসেই তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয় অ্যারেস্ট মেমো। আজই আদালতে তোলা হবে ৪ জনকেই। সূত্রের খবর, চার্জশিটের বয়ান ঠিক করে নয়াদিল্লিতে পাঠানো হয়েছিল। সেখান থেকে গ্রিন সিগন্যাল আসার পরেই সাতসকালে তড়িঘড়ি গেপ্তার করা হয়েছে। তার পর থেকেই কার্যত ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা তৃণমূল। দিকে দিকে শুরু হয়েছে তীব্র বিক্ষোভ। তৃণমূল বলছে পরাজয়ের প্রতিহিংসা থেকেই এসব করছে বিজেপি। বিধানসভার স্পিকার বলছেন এই গ্রেপ্তার বেআইনি।
ববি-সুব্রতদের পাশে থাকতে সকালেই নিজাম প্যালেসে পৌঁছে গিয়েছিলেন দিদি। ঠাই বসেছিলেন। সকালেই চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন গ্রেপ্তার করতে হবে তাঁকেও। তার পর থেকে ভেতরে দলনেত্রী এবং বাইরে দলীয় কর্মীরা, গোটা রাজ্যের নজর কেড়ে রেখেছিলো নিজাম প্যালেস। প্রায় ঘন্টা ৬ পরে নিজাম প্যালেস ছাড়লেন তৃণমূল সুপ্রিমো। বেরোনর আগে বললেন, এবার সিদ্ধান্ত আদালত নেবে।
উল্লেখ্য এতক্ষন মুখ্যমন্ত্রীর নিজাম প্যালেসে বসে থাকা থেকে খুঁটিনাটি সবকিছু বিশদে দিল্লিতে শীর্ষ কর্তাদের জানিয়েছেন সিবিআই-এর পূর্বাঞ্চলের ডিআইজি৷ এর পাশাপাশি এভাবে একজন মুখ্যমন্ত্রী কারও গ্রেফতারির বিরুদ্ধে তদন্তকারি সংস্থার অফিসে গিয়ে হস্তক্ষেপ করতে পারেন কি না, তাঁর এক্তিয়ার কতটা, সংস্থার লিগাল সেল-এর কাছে সেই সংক্রান্ত পরামর্শ চেয়েও ই মেল করা হয়েছে বলেই সূত্রের খবর।



