নজরবন্দি ব্যুরোঃ গোটা দেশজুড়ে যেভাবে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে তাতে মহামারীর ইঙ্গিত মিলছে অদূর ভবিষ্যতে। কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বেশকিছু ট্রেন বাতিল করা হয়ে গেছে ইতিমধ্যেই। এই সব কিছুর মধ্যেই বড়োসড়ো সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। গতকাল জানানো হয়েছে ১৮ বছরের উর্ধ্বে সকলকে করোনাভাইরাসের টিকা প্রদান করা হবে। আর তা নিয়েই এবার চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী কে বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী। বিপদে দায় এড়াচ্ছে কেন্দ্র, বলে তোপ দাগলেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ সামান্য উপসর্গ ছিল, পরীক্ষায় রিপোর্ট পজেটিভ! ট্যুইট করোনা আক্রন্ত রাহুল গান্ধীর।


প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে লেখা চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, “বিপদের সময় দায় এড়াচ্ছে কেন্দ্র। ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে টিকা দেওয়ার এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল অনেক দেরিতে। ২৪ তারিখে আমি একটা চিঠি দিয়েছিলাম কেন্দ্রকে। অনুরোধ করেছিলাম, যাতে রাজ্য সরাসরি টিকা কিনে মানুষকে দিতে পারে তার জন্য হস্তক্ষেপ করতে। কিন্তু সেই চিঠির কোনও উত্তর পাইনি।”
মমতা আরও লিখেছেন, “দ্বিতীয় তরঙ্গে সংক্রমণ যখন হু হু করে বাড়ছে, তখন কেন্দ্র অন্তঃসার শূন্য বিবৃতি দিয়ে দায়িত্ব এড়ানোর পথ নিয়েছে।”
Our efforts have been persistent to increase vaccination in the state.
Yesterday, number of doses administered in Kolkata rose to over 39,000 from a daily average of 25,000 vaccinations. GoWB is further ramping up its capacities to ensure vaccination for all eligible citizens.Related Newsসংঘর্ষ থামাতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ ন্যাজাট থানার ওসি! নিউ মার্কেটে বুলডোজার বিতর্কে তপ্ত রাজনীতিকালীঘাট থেকে ক্যামাক স্ট্রিট—পালাবদলের ছাপ, সরছে অভিষেকের দপ্তরের নিরাপত্তা— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) April 20, 2021
উল্লেখ্য, আগামী ১ মে থেকে তৃতীয় দফার টিকাকরণ হবে। সেই দফা থেকেই ১৮+ নিয়ম চালু হবে বলে জানানো হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পৌরহিত্যে একটি উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে মোদী দাবি করেন, ন্যূনতম সময় যাতে সর্বাধিক ভারতীয় করোনা টিকা পান, সেজন্য গত এক বছর ধরে কঠোর পরিশ্রম করছে সরকার। সঙ্গে তিনি দাবি করেন, রেকর্ড গতিতে টিকাকরণ চালাচ্ছে ভারত। আগামিদিনে সেই টিকাকরণের গতি আরও বাড়ানো হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

প্রসঙ্গত, ১লা মে থেকে রাজ্যগুলি টিকা প্রস্তুতকারী সংস্থার কাছ থেকে সরাসরি ভ্যাকসিন কিনতে পারবে। করোনার দ্বিতীয় ধাক্কার জেরে সঙ্কটে প্রশাসন। এর ফলে আবার দেশের অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়ার জায়গায় পৌঁছে যেতে পারে বলে অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন। তাই সেই জায়গা থেকে ১৮ বছর হলেই করোনার টিকা দেওয়ার এই কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। কেননা ভারতে তরুণ প্রজন্মের সংখ্যাটা নেহাত কম নয়। আর করোনার দ্বিতীয় ঢেউ কোনও বয়সকেই ছাড়ছে না তা সংক্রমনের সংখ্যা থেকেই বোঝা যাচ্ছে।









