Mahua Moitra: গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রুখতে রনংদেহি মমতা, মহুয়াকে কড়া বার্তা দলনেত্রীর

বিজ্ঞাপন
নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রকাশ্যে দলের অন্দরের ক্ষোভ নিয়ে মুখ খুলতে দেখা গিয়েছে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে। জেলা সভাপতি জয়ন্ত সাহা, মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে রেয়াত করেননি তিনি। এতে দলের মধ্যে ফাটল বাড়তে শুরু করেছে। দলের ড্যামেজ কন্ট্রোলে এবার খানিকটা রনংদেহি মেজাজে কৃষ্ণনগরের সাংসদকে সতর্ক করে দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো।

আরও পড়ুনঃ Bipin Rawat Chopper Crash: রাওয়াত স্যারের সঙ্গে যাচ্ছি, এখন সতপালের অপেক্ষায় দার্জিলিং

বৃহস্পতিবার নদীয়ায় প্রশাসনিক সভা ছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। প্রকাশ্য মঞ্চে মহুয়া মৈত্রকে উদ্দেশ্য করে দলনেত্রীর বার্তা, “মহুয়া এখানে একটা স্পষ্ট মেসেজ দিতে চাই। কে কার পক্ষে, বিপক্ষে দেখার দরকার নেই। সাজিয়ে গুছিয়ে লোক পাঠিয়ে ইউটিউবে বা ডিজিট্যালে দিয়ে দিলাম। এই রাজনীতি একদিন চলতে পারে চিরদিন নয়। যখন নির্বাচন হবে ঠিক করবে কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে, কে নয়। সুতরাং এখানে কোনও মত পার্থক্য রাখা উচিত নয়”।

এরপরেই নদীয়া জেলার সভাপতি জয়ন্ত সাহাকে দাঁড় করান মুখ্যমন্ত্রী। স্যোশাল মিডিয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নিয়ে বলেন, “আমি পুলিশকে দিয়ে তদন্ত করিয়েছি। সাজিয়ে ঘটনা ঘটানো হয়েছে। সবাইকে মিলে মিশে কাজ করতে হবে”। অর্থাৎ এদিন দলের উদ্দেশ্যে সাফ বক্তব্য, কোনভাবেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বরদাস্ত করবেন না তিনি।

গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রুখতে রনংদেহি মমতা, মহুয়াকে কড়া বার্তা দলনেত্রীর
গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রুখতে রনংদেহি মমতা, মহুয়াকে কড়া বার্তা দলনেত্রীর

নদীয়া জেলায় তৃণমূলের প্রভাব থাকলেও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ রয়েছে। যাকে হাতিয়ার করে ইতিমধ্যেই প্রভাব বেড়েছে বিজেপির। গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব তুখতে জেলার দায়িত্ব মহুয়া মৈত্র এর হাতে তুলে দেয় দল। কিন্তু চিড় ধরা দুরত্ব ক্রমে ফাটলে পরিণত হয়। তাই তাঁকে সরিয়ে পুরানো জয়ন্ত সাহার ওপরেই ভরসা করেছে দল।

গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রুখতে রনংদেহি মমতা, দিলেন সমন্বয়ের বার্তা 

Internet access denied in J&K for months': Mahua Moitra takes dig at RS  Prasad's brief Twitter suspension | India News

মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ, দলের বর্ষীয়ান নেতাদের সঙ্গে কোনরকম যোগাযোগ না রেখে নিজের মতো কাজ করে চলেছেন তিনি। যা নিয়ে রাজ্য নেতৃত্বের দ্বারস্থ হন গৌরিশঙ্কর দত্ত, কল্লোল খাঁ এবং উজ্জ্বল বিশ্বাসরা। বিপুল ভোটে জয়লাভ করলেও নদীয়া জেলার সংগঠন নিয়ে জলঘোলা লেগেই রয়েছিল। সেই অভিযোগ শীর্ষ নেতৃত্ব অবধি পৌঁছে যায়। তাই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রুখতে রনংদেহি মমতা। শক্ত হাতে বার্তা দিলেন অন্যান্যদের।

একইসঙ্গে বিধায়কদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করার জন্য প্রশাসনের আইসি, বিডিও, ওসি এবং ডিএমদের সতর্ক করেছেন তিনি।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

বিজ্ঞাপন

আরও খবর