নজরবন্দি ব্যুরোঃ ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্ত এক একটি গ্রামের দায়িত্ব নিক বাণিজ্যিক সংস্থা, আজ বনিক সভার বৈঠক থেকে একাধিক পদক্ষেপ ঘোষণার পাশাপাশি বানিজ্যিক সংস্থা গুলিকে সাহায্যের জন্য পরামর্শ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোন সংস্থা এগিয়ে এলে তাকে উৎসাহ প্রদানের কথাও বলেছেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ বিধিনিষেধে অল্প ছাড় মমতার, খুলছে হোটেল, কয়েকদিনেই খুলবে শপিং মলও!
আজ নবান্ন সভাঘর থেকে বনিক সভার বৈঠক করছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি শুরুতেই জানিয়েছেন, লকডাউনের প্রভাবে ব্যবসার ক্ষতি হচ্ছে, তবে তার সঙ্গেই মনে করিয়ে দিয়েছেন অন্যান্য রাজ্যের মতো করা লকডাউন করেনি বাংলা। জারি করেনি কার্ফু। সংক্রমণ রোধে কিছু বিধিনিষেধ জারি করেছে। সঙ্গে জানিয়েছেন সরকার ব্যবসা বন্ধের পক্ষে নয় কখনোই, তবে এমন কিছু করা হবে না যাতে তৃতীয় ঢেয় আছড়ে পড়ে।
তবে সংক্রমণের গ্রাফ কিছুটা কমায় আজকের সভা থেকে কিছু বিষয়ে বিধিনিষেধ শিথিল করেন। জানান টিকা করণ এবং সরকার প্রদত্ত শর্তাবলী মেনে তিন ঘন্টার জন্য খুলতে পারবে হোটেল-রেস্তরা, খুচরো দ্রব্যের দোকান খোলার সময়সীমাও এক ঘন্টা বাড়ান হয়েছে। বলা হয়েছে সব ঠিক থাকলে আগামী ১৬ তারিখ থেকে ২৫ শতাংশ কর্মী নিয়ে খুলতে পারবে শপিংমলও। তবে সেই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে ১৫ই জুন।
একাধিক সিদ্ধান্তের পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী বানিজ্যিক সংস্থা গুলিকে অনুরোধ করেন রাজ্যের এই কঠিন পরিস্থিতিতে সংস্থা গুলি এগিয়ে আসুক ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলির দায়িত্ব নিতে। করোনা কালে ইয়াস বিপর্য্য নিয়ে বিপর্যস্ত রাজ্য। ক্ষতি গ্রস্ত এলাকা গুলিতে চলছে ত্রাণ শিবির। রিপোর্ট তৈরি হচ্ছে ক্ষয়-ক্ষতি এবং মেরামতির।
এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী পরামর্শ দিয়েছেন, এক একটি বাণিজ্যিক সংস্থা যদি এক একটি ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামকে অধিগ্রহণ করে এবং সেখানের বিপর্যয়ের ফলে ক্ষতির দেখভাল এবং মানুষের চাহিদা পূরণ করে, ত্রাণের কাজ করে তাহলে সুবিধে হবে। এবং এই কাজের জন্য সংস্থাগুলিকে উৎসাহিত করা হবে বলেও জানান তিনি।



