আবগারি দুর্নীতি মামলায় কেজরীওয়ালের গ্রেফতারির প্রতিবাদে রবিবার দিল্লীর রামলীলা ময়দানে ছিল বিরোধী জোট ইন্ডিয়ার ‘গণতন্ত্র বাঁচাও’ সমাবেশ। এই ২৮ দলের ইন্ডিয়া জোট তৈরি থেকেই প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছে। দলের শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে মতানৈক্য দেখা গিয়েছে। রাজ্যে রাজ্যে জোটের অবস্থা ভালো নয়। এই নিয়ে কটাক্ষের মুখেও পড়তে হয়েছে জোটকে।

আরও পড়ুন : ভোটের ময়দানে মোদীকে ‘ম্যাচ ফিক্সার’ বলে কটাক্ষ, ওপেন চ্যালেঞ্জ রাহুলের
তবে রবিবার এক অন্য চিত্র ধরা পড়ল। বিরোধীদের এককাট্টা দেখা গেল রবিবারের মঞ্চে। সমাবেশে বক্তব্য রাখলেন রাহুল গান্ধী, সীতারাম ইয়েচুরি, তেজস্বী যাদব, অখিলেশ যাদবের মতো হেভিওয়েট নেতা-নেত্রীরা। তৃণমূলের দূত হিসাবে এই সভায় বক্তব্য রাখেন দলের রাজ্যসভার নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন। তবে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সশরীরে উপস্থিত না থাকলেও রবিবার উপস্থিত থাকলেন রামলীলা ময়দানে।

আরও দুটি চেয়ার ফাঁকা ছিল মঞ্চে। মনে করা হচ্ছে সেই দুটি কেজরীওয়াল ও সোরেনের জন্য। উপস্থিত ছিলেন তাদের স্ত্রী রা। বাংলায় হয়নি ইন্ডিয়া জোট। কিন্তু ডেরেক ও সাগরিকা স্পষ্ট করে দিলেন তৃণমূলের অবস্থান ইন্ডিয়া জোটে তৃণমূল ছিল, আছে, থাকবে। মনে করা হচ্ছে, ভোট পরবর্তী জোটের কথা ভাবছেন তারা। এদিন কৃষ্ণনগরের প্রচারের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর মুখেও শোনা যায় এমন ইঙ্গিত।

‘ম্যায় রহু ইয়া না রহু’, অনুপস্থিত থেকেও INDIA মঞ্চ ‘মমতা’ময়
রবিবার বক্তব্য রাখতে উঠে রাহুল গান্ধী মোদীকে ‘ম্যাচ ফিক্সার’ বলে কটাক্ষ করেন। নির্বাচনী প্রচার থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সিপিএম, কংগ্রেস, লেজুড় আইএসএফ যাকেই ভোট দেবেন সেটাই বিজেপিতে যাবে। দেশের সমস্যা ছেড়ে মোদী তারকা ও শিল্পপতিদের সাথে দেখা করেন। উল্লেখ্য, এই ‘গণতন্ত্র বাঁচাও ‘সমাবেশ আসলে ভোটের আগে জোটের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার একমাত্র রাস্তামাত্র।



