ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর জন্মদিনে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিশু দিবস বার্তা। প্রতি বছর ১৪ নভেম্বর দেশজুড়ে যখন শিশু দিবস পালিত হয়, সেই দিনেই নেহরুকে স্মরণ করেন রাজনৈতিক নেতারা। এ দিনও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
প্রাতঃকালীন পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে তিনি সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাচ্ছেন। তাঁর জন্মদিনকে কেন্দ্র করেই সারাদেশে ছোটদের উৎসব হিসেবে শিশু দিবস পালন করা হয়। সেই উপলক্ষে শিশুদের উদ্দেশে হৃদয়ছোঁয়া শুভেচ্ছা পাঠালেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি লিখেছেন, “শিশুরাই আগামী দিনের আলো, শিশু দিবসে সকল শিশুকে জানাই আন্তরিক প্রীতি, শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।”
বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর বার্তায় প্রতিফলিত হল ছোটদের প্রতি তাঁর মমত্ববোধ। প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বহু বার তাঁকে শিশুদের সঙ্গে মেতে উঠতে দেখা গেছে। কখনও শিশুদের কোলে তুলে আদর করতে, কখনও তাদের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় তাঁকে। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিশু দিবস বার্তা-য় ব্যক্তিগত আবেগের ছোঁয়া আরও স্পষ্ট।
তিনি আরও লিখেছেন, শিশুদের সুন্দর জীবনে উন্নতি কামনা করি। তারা দেশের ভবিষ্যৎ, আগামী দিনের পথ দেখাবে এই প্রজন্মই। নেহরুর জন্মদিনে দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং শিশুদের প্রতি স্নেহ — দুই মিলিয়েই মুখ্যমন্ত্রীর পোস্টে ছড়িয়ে পড়েছে মানবতার বার্তা।
পণ্ডিত নেহরু শিশুদের অত্যন্ত ভালোবাসতেন। তাঁর এই স্নেহ থেকেই দেশের সর্বত্র তাঁর জন্মদিন শিশু দিবস হিসেবে পালিত হয়। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে তাঁর অবদানকে স্মরণ করে অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নানান বার্তাও দিয়েছেন। সেই তালিকায় মুখ্যমন্ত্রীও যোগ করলেন নিজের বার্তা, যা ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
বাংলার মুখ্যমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরেই শিশুদের সুস্থ জীবন, নিরাপদ পরিবেশ এবং মানসম্মত শিক্ষার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন। তাঁর শিশু দিবস পোস্টে সেই বার্তা ফের প্রতিধ্বনিত হল। নেহরুর জন্মদিনে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং শিশুদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হওয়ার কামনায় এই পোস্টকে ঘিরে নেটদুনিয়ায় ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।
রাজনীতির পাশাপাশি সমাজিক দায়বদ্ধতার জায়গায়ও তিনি বারবার শিশুদের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিশু দিবস বার্তা শুধু শুভেচ্ছা নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার একটি প্রতিশ্রুতি বলেও মনে করছেন অনেকে।




