নজরবন্দি ব্যুরোঃ পুরুলিয়ায় মোদী মেদিনীপুরে দিদি, আজ দুই হাইভোল্টেজ সভার সাক্ষী থাকবে বাংলা। তিনি নিজে সভা থেকে বলেছিলেন আহত বাঘ আরও ভয়ঙ্কর। বাস্তবেও নিজের কথাকেই সত্যি প্রমান করছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পর পর তিনদিন তিন জেলায় সভা করার পর হুইলচেয়ারে বসে আজ তিনি যাচ্ছেন পশ্চিম মেদিনীপুরে।
আরও পড়ুনঃ ৩ ফরম্যাটের ক্রিকেটে ব্যাটসম্যান হিসেবে নতুন রেকর্ড বিরাটের
সেখানে আজ ৩টি জনসভা করবেন তৃণমূল নেত্রী। সুশান্ত ঘোষের শক্তঘাঁটি গড়বেতা, খড়গপুর গ্রামীণ এবং কেশিয়াড়ি বিধানসভায় আজ জনসভা করবেন তিনি। প্রসঙ্গত, খড়গপুর গ্রামীণ বাদে বাকি দুটিতেই লোকসভা ভোটের নিরিখে বিজেপি এগিয়ে। গত দু’বছর ধরে তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী সাংগঠনিক কাজে সময় দিয়েছেন এই জেলায়। তাই এই বিধানসভা কেন্দ্রগুলি শাসকদলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংগঠনের শক্তি আরও জোরাল করতেই মমতা আসছেন মেদিনীপুরে। জেলায় জেলায় প্রতিদিন তাঁর জনসভা সেদিকেই ইঙ্গিত করছে।
এদিকে আজ রাজ্যে আসছেন মমতার প্রতিপক্ষ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গত কয়েকদিন জঙ্গলমহলের বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতা এসে ভোটের প্রচার করেছিলেন ,কিন্তু প্রত্যাশা মত ভিড় হয়নি কোনো সভাতেই। তাই আসরে নাম্লেন খোদ প্রধানমন্ত্রী। আজকে পুরুলিয়ার ভাংড়ার নবকুঞ্জের মাঠে সভা করতে আসছেন তিনি। এর আগে অমিত শাহ থেকে স্মৃতি ইরানি জমায়েত খুব কম হওয়ার কারনে একের পর এক সভা বাতিল করতে হয়েছে বিজেপিকে। যা নিয়ে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। তাদের বহু প্রচারিত রথযাত্রাও ব্যর্থই বলা যায়। তাই আজ মোদীর সভায় ভিড়ের কমতি না হয় তার জন্য কোন চেষ্টার কসুর করছেন না স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব।
পুরুলিয়ায় মোদী মেদিনীপুরে দিদি, আজ দুই হাইভোল্টেজ সভার সাক্ষী থাকবে বাংলা। কারন দেশের প্রধানমন্ত্রীর সভায় ভিড় না হলে ভোটে হালে পানি পাওয়া অসম্ভব টা ভালই জানে বিজেপি। ভিড় হওয়া না নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্যে ১০০ আসন না পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বিজেপির অন্দরে। তাই এখন দেখার প্রধানমন্ত্রীকে এনে রাজ্যে নিজেদের আসন সংখ্যা বারাতে পারে কিনা বিজেপি।



