নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২২ জন বিধায়কদের নিয়ে সুরাতে ঘাঁটি গেড়েছেন মন্ত্রী একনাথ শিন্ডে। মঙ্গলবারই বিক্ষুব্ধদের রাজি করাতে সুরাত পৌঁছাল উদ্ভবের দুই দূত। মিলিন্দ নারভেকর এবং সাংসদ রঞ্জন ভিকারেদের পাঠিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সুরাতে মন্ত্রী একনাথ শিন্ডের সঙ্গে দেখা করতে চান তাঁরা। অন্যদিকে বিক্ষুব্ধ শিবিরের তিন বিধায়ক মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধভ ঠাকরের সঙ্গে দেখা করেছেন।
আরও পড়ুনঃ President Election: সিপি(আই)এম-তৃণমূল এর সমর্থন, বিরোধীদের রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী যশবন্ত
সূত্রের খবর, সরকার বাঁচাতে বাকি পক্ষের সঙ্গে আজই মুম্বই ফিরে বৈঠকের কথা ঘোষণা করেছেন এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ার। তাঁর বক্তব্য, মহারাষ্ট্রে এই নিয়ে তৃতীয়বার সরকার ফেলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বিজেপির। আজই সন্ধ্যা ৭ টার মধ্যে মুম্বই উপস্থিত হয়ে সমস্ত পক্ষের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি।
ঘর গোছাতে তৎপর হয়েছে কংগ্রেসের। বিধায়কদের দলবদলের আশঙ্কা দেখতে পেয়েই তড়িঘড়ি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কমলনাথকে। মহারাষ্ট্র কংগ্রেসের তরফে জানানো হয়েছে, পরিষদীয় দলনেতা বালাসাহেব থোরাট এবং রাজ্য সভাপতি নানা পাটোলের সঙ্গে যোগ রয়েছে কংগ্রেস বিধায়কদের।

বিজেপির তরফে দাবি করা হচ্ছে, একনাথ শিন্ডে সহ ৩১ জন বিধায়ক বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন। অর্থাৎ খুব জলদিই এই সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাতে চলেছে। তবে এখনই অনাস্থা প্রস্তাব আনার প্রয়োজন নেই বলে মনে করছে বিজেপি। ১৮ জুলাই থেকে বিধানসভার অধিবেশন শুরু হলেই দেখা যাবে।
অন্যদিকে, সরকার বদলের ইঙ্গিত পেয়েই অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাতে উপস্থিত হয়েছেন বিজেপি নেতা দেবেন্দ্র ফড়নবীশ। উপুস্থিত হচ্ছেন কেন্দিয় মন্ত্রী নীতিন গড়করী। শোনা যাচ্ছে, খুব শীঘ্রই আমেদাবাদে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করবেন তাঁরা।
সুরাত পৌঁছাল উদ্ভবের দুই দূত, টলমল মহারাষ্ট্রের সরকার

অন্যদিকে, একনাথ শিন্ডেকে শিবসেনার মুখ্য আহবায়কের পদ থেকে সরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ডেপুটি স্পিকার নরহরি জিরোয়ালের কাছে এবিষয়ে চিঠি দেন শিবসেনার নেতারা। ওই পদে অজয় চৌধুরীকে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।



