মধ্যমগ্রাম স্টেশনের সামনে সিলিন্ডার ব্লাস্ট—হোলির দুপুরে উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রাম স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আতঙ্ক ছড়াল। একটি মিষ্টির দোকান থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের একাধিক খাবারের দোকানে। পরপর রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণের বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। চারদিকে ঘন ধোঁয়ায় ঢেকে যায় স্টেশন চত্বর। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে দমকলের চারটি ইঞ্জিন ও পুলিশ বাহিনী। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, বুধবার হোলির দুপুরে স্টেশন সংলগ্ন বাজার এলাকায় তখন যথেষ্ট ভিড় ছিল। আচমকাই একটি মিষ্টির দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রথমে ছোট আকারে আগুন দেখা গেলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পাশের দোকানগুলিতে।


স্থানীয়দের দাবি, ওই এলাকায় একের পর এক খাবারের দোকান থাকায় বহু রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার মজুত ছিল। আগুন লাগার পরপরই সেগুলি বিস্ফোরিত হতে শুরু করে। বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা এবং আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা।
দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে একাধিক ইঞ্জিন মোতায়েন করা হয়েছে। দমকলকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালাচ্ছেন। আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়, তবে প্রাথমিকভাবে সিলিন্ডার বিস্ফোরণই প্রধান কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনার খবর পেয়ে মধ্যমগ্রাম থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এছাড়াও উপস্থিত হন বারাসতের SDPO, ডিএসপি ট্র্যাফিক-সহ একাধিক পুলিশ আধিকারিক।


এদিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছান স্থানীয় কাউন্সিলার তথা মধ্যমগ্রাম পুরসভার উপপুরপ্রধান প্রকাশ রাহা। তিনি জানান, “খাবারের দোকান থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে। সেখানে থাকা গ্যাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হওয়াতেই পরিস্থিতি এত ভয়াবহ আকার নেয়।”
স্থানীয়দের একাংশ আবার প্রশ্ন তুলেছেন, স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় কীভাবে এতগুলো খাবারের দোকান গজিয়ে উঠল এবং সেখানে নিরাপত্তা বিধি ঠিকভাবে মানা হচ্ছিল কি না। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।







