নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত সপ্তাহ থেকেই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস বয়কটের সিদ্ধান্ত নেন আইনজীবীদের একাংশ। তাঁদের অভিযোগ, ডিভিশন বেঞ্চের বিরুদ্ধে তিনি যে মন্তব্য করেছেন, তা সমর্থন করছেন না তাঁরা। ডিভিশন বেঞ্চ ভয় পাচ্ছে। তাই মামলা নিতে চাইছে না। আজও অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস বয়কট করলেন তাঁরা।
আরও পড়ুনঃ Ukraine-Russia war: পাঁচ শক্তিশালী মিসাইলে তছনছ লিভিভ, রুশ হামলায় বড় ক্ষতির মুখে ইউক্রেন
বুধবার বিচারপতি এজলাসে প্রবেশ করতেই শুরু হয় বিক্ষোভ। তৃণমূলপন্থী বিচারপতিদের উদ্দেশ্যে বিচারপতিদের বার্তা, আপনাদের বলছি রাজনীতি করবেন না। আমি তো রাজনীতি করছি না। আমি একটা দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হতে চেয়েছি। পাল্টা বিক্ষোভকারীদের তরফে জানানো হয়, সিবিআই তদন্তে তাঁদের কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু ডিভিশন বেঞ্চ নিয়ে তিনি মন্তব্য করছেন কেন?

এরপরেই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, আপনারা যদি মনে করেন আমি ডিভিশন বেঞ্চের বিরুদ্ধে বলে ভুল করেছি তাহলে আপনারা সুপ্রিম কোর্টে চলে যান। এখানে কেন বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন? আইনজীবীদের তরফে যে চিঠি দেওয়া হয়েছে তা অত্যন্ত বেদনাদায়ক বলে জানিয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, মাথায় বন্দুক ঠেকালেও থামব না।
কিন্তু একাধিক মামলা পড়ে থাকার কারণে সাধারণ মানুষের অসুবিধা হচ্ছে বলে দাবি করেন এক প্রবীন আইনজীবী। শুনানি না হওয়ার কারণে সাধারণ মানুষকে সমস্যায় পরতে হচ্ছে। প্রবীণ আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বার্তা, আপনারা না আসলে কাজ করতে অসুবিধা হচ্ছে। সরকারি আইনজীবীরা এজলাসে না এলে বিচারপ্রার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। আমি কারও সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করিনি। তাই অনুরোধ করছি সরকারি আইনজীবীরা যেন কাজে যোগ দেন।
আজও অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস বয়কট, সমস্যায় আমজনতা

বিক্ষুব্ধ আইনজীবীদের কথায়, ডিভিশন বেঞ্চ ভয় পেয়েই মামলা গ্রহণ করতে চাইছে না। পাল্টা বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ডিভিশন বেঞ্চের বিচারপতিরা আমার থেকে অনেক সিনিয়র, আমার মাত্র চার বছর হয়েছে। ডিভিশন বেঞ্চের ক্ষমতা আমি জানি। তাঁরা কেন মামলা থেকে নিজেদের সরিয়ে নেবেন? তাঁদের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক রয়েছে। আমাকে এধরনের কথা কখনই বলেননি।



