নজরবন্দি ব্যুরোঃ সরকার থাকলে সারা জীবন ফ্রিতে রেশন এবং পড়াশোনার সুযোগ পাবেন, ২১শের মঞ্চ থেকে জনতাকে অফার মমতার। সরাসরি সভামঞ্চ না থাকলেও সরাসরি মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বক্তব্য ভার্চুয়াল মাধ্যমে দেখার এবং শোনার সুযোগ পেলেন আমজনতা। আজ ২১ শে জুলাই তৃণমূলের শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে রাজ্যের মানুষ কে গিভ অ্যান্ড টেক পলিশির মতই অফার দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে বলতে শোনা গেল, সরকার থাকলে বাংলার মানুষ সারা জীবন ফ্রিতে রেশন এবং পড়াশোনার সুযোগ পাবেন!
আরও পড়ুনঃ ২১শে জুলাই ভার্চুয়াল সভার কমেন্ট বক্স বুঝিয়ে দিল ’২১ নির্বাচনে কি ঘটতে চলেছে!


এদিন ভার্চুয়াল সভামঞ্চ থেকে তৃণমূল নেত্রী সরাসরি আক্রমণ শানান রাজ্যের উদিয়মান শক্তি বিজেপি-র বিরুদ্ধে। তিনি বলেন, নির্বাচনকে বিজেপি একটা নোংরা খেলায় পরিণত করেছে। টাকা দিয়ে ভোট কেনে বিজেপি। একটা ঘটনা ঘটলেই গাড়িগুলো জ্বালিয়ে দিচ্ছে। রাস্তায় বসে পড়ছে, যেন ওর রাস্তা। যেন দিল্লি থেকে এসে রাস্তাগুলো বানিয়ে দিয়েছে। এত বড় সাহস, দিল্লির এক জন তাঁবেদার বা সুবেদার আমাকে ফোন করে বলছে, উপাচার্যদের শোকজ করবে। আমি বললাম, হাত দিয়ে দেখুন, ছাত্র আন্দোলন কাকে বলে, দেখতে পাবেন। বিজেপির বিরুদ্ধে শ্লোগান বেঁধে দিয়ে তিনি বলেন, জনগণ সাবধান, আপনাদের করছি আহ্বান, বিজেপির সাথে আছে অনেক অনেক টাকা আর গান!
অন্যদিকে আমফান, এবং রেশন কেলেঙ্কারি নিয়েও এদিন বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “আমপান হল, বিজেপির কী নাচানাচি বাপরে! ভাববেন না যে, কোভিড চলছে বলে এনসিআর ভুলে যাব।” তাঁর কথায়, “বড্ড মিথ্যে অপপ্রচার হচ্ছে। বাংলায় কত রেশন দোকান রয়েছে? দু’একটা স্পটে গণ্ডগোল হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে আমরা তার ব্যবস্থা নিয়েছি। এত ব্লকে সরকার শান্তিতে কাজ করছে সেটা নিয়ে কিছু বলছে না। দু’একটা ঘটনা নিয়ে বিজেপি, কংগ্রেস সিপিএম লণ্ডভণ্ড করতে নেমে পড়েছে।”
কার্যত ২০২১ সালের নির্বাচনী প্রচারের অফার দেওয়ার মত এদিন তিনি বাংলার মানুষকে বিকল্প চয়ন করার প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, “এমন রাজ্য কোথায় পাবেন, যেখানে লকডাউন ঘোষণার আগে বিনামূল্যে রেশন দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছিল! সামনের বছর জুন মাস পর্যন্ত রেশন দেওয়ার কথা আগেই বলেছি। আজ বলছি, আমাদের সরকার থাকলে সারা জীবন ফ্রিতে রেশন আর পড়শোনা করার সুযোগ পাবেন বাংলার মানুষ।” আগামী বছর ২১ শে জুলাই এর দিন অনেক বড় করে সমাবেশ হবে জানিয়ে মমতা বলেন। এই বছর ধর্মতলায় সভা করতে পারলাম না বলে দুঃখ হচ্ছে।









