নজরবন্দি ব্যুরোঃ উপনির্বাচনের আগে উত্তাপ বাড়ল সাগরদিঘিতে। এক কংগ্রেস কর্মীর গ্রেফতারি ঘিরে শনিবার সকাল থেকে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। সাগরদিঘি থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান কয়েকশো বাম-কংগ্রেসের কর্মী। এই বিক্ষোভে যোগ দিতে পারেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী।
আরও পড়ুনঃ SSC-TET Scam: চন্দনের সঙ্গে যোগ ছিল উপদেষ্টা কমিটির সদস্যদের, খুঁজছে সিবিআই


বিক্ষোভের সূত্রপাত কংগ্রেসকর্মী সইদুল ইসলামকে গ্রেফতারি ঘিরে। সাগরদিঘির পাটকেলডাঙা এলাকার ঘটনা। অভিযোগ, থানার বড়বাবু গিয়ে কথা বলার জন্য সাইদুলকে থানায় তুলে নিয়ে আসেন। পরে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশকে ব্যবহার করে তৃণমূল এই কাজ করছে। অভিযোগ তোলে বাম-কংগ্রেস। যা ঘিরে সকাল থেকে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

সম্প্রতি রাজ্যের মন্ত্রী সুব্রত সাহার প্রয়াণে সাগরদিঘিতে উপনির্বাচন হচ্ছে। তৃণমূলের হয়ে লড়াই করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মীয় দেবাশীস বন্দ্যোপাধ্যায়। কংগ্রেসের তরফে প্রার্থী করা হয়েছে ব্যারন বিশ্বাসকে। প্রার্থী না দিলেও কংগ্রেসকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বামেরা। বিজেপির হয়ে লড়াই করছে দিলীপ দাস। ত্রিমুখী লড়াইয়ে সাগরদিঘির উত্তাপ ক্রমাগত বেড়েই চলেছে।
উপনির্বাচনের আগে উত্তাপ বাড়ল সাগরদিঘিতে, দুপুরে হাজির হচ্ছেন অধীর

গত বিধানসভা নির্বাচনে এই আসনে জয়লাভ করেছিল তৃণমূলের সুব্রত সাহা। পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেবিনেটে জায়গা পান তিনি। দ্বিতীয় স্থানে জায়গা করে নেয় বিজেপি। শূন্য হয়ে যাওয়া বাম-কংগ্রেসের আরও একবার ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ রয়েছে কামব্যাক করার। সেখানে বিজেপির দিলীপ দাস কোনও চমক দেখাতে পারবে? এদিন সইদুলের গ্রেফতারির পর কংগ্রেস নেতারা স্পষ্ট বলেন, বেলা যত বাড়বে জমায়েত তত বাড়বে। সাইদুলকে ছাড়ার দাবিতে গোটা জেলা থেকে কর্মীদের সাগরদিঘি পৌঁছনোর ডাক দিয়েছে কংগ্রেস। তাল দিচ্ছে বামেরাসঙ্গে রয়েছে বামেরাও।









