নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রয়াত ‘পাণ্ডব গোয়েন্দা’- স্রষ্টা সাহিত্যিক ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়। শুক্রবার সকাল ১১টা ১০ মিনিট নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। জানা গিয়েছে, স্ট্রোক হয়েছিল তাঁর। হাওড়ার একটি নার্সিং হোমে চিকিৎসারত ছিলেন তিনি। সেখানেই প্রয়াত হন ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়।
আরও পড়ুনঃ প্রয়াত জলুবাবু, শোকের ছায়া রাজনৈতিক মহলে



৮২ বছর বয়স হয়েছিল এই সাহিত্যিকের। দুপুর ৩টের সময় হাসপাতাল থেকে প্রয়াত সাহিত্যিকের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে হাওড়ার জগাছা এলাকার ধারসায়, তাঁর নিজ বাসভবনে। বাবলু, বাচ্চু , বিলু, ভোম্বল, বিচ্চু এবং পঞ্চু বাঙালির কাছে আবেগ। এই পঞ্চ পাণ্ডব জটিল রহস্যের সমাধান করেছে বইয়ের পাতায়।



দুর্গম পাহাড় থেকে শুরু করে বুদ্ধির ভেলকি, সব জায়গাতেই মাত দিয়েছে তারা। কিশোরদের এই রহস্য উন্মোচনের নেশা বাঙালিকে পাণ্ডব গোয়েন্দার প্রেমে পড়তে বাধ্য করেছে। ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়ের লেখনিতে জীবন্ত হয়ে উঠেছিল প্রতিটি চরিত্র।
১৯৪১ সালে হাওড়ার ষষ্ঠীতলায় জন্মগ্রহন করেছিলেন লেখক। দৈনিক বসুমতি পত্রিকায় ‘কামাখ্যা ভ্রমণ’-এর হাত ধরে তাঁর লেখালেখির যাত্রা শুরু। এর পর বাঙালি পাঠককে অসংখ্য ছোট গল্প, উপন্যাস উপহার দিয়েছেন ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্য়ায়।
প্রয়াত সাহিত্যিক ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়, সাহিত্য জগতে শোকের ছায়া

১৯৮১ সালে তাঁর সৃষ্ট গোয়েন্দা চরিত্র ‘পাণ্ডব গোয়েন্দা’ই তাঁকে পাঠকমহলে রাতারাতি জনপ্রিয় করে তুলেছিল। পরে এই কাহিনি অবলম্বনে তৈরি হয়েছে একাধিক কমিক স্ট্রিপ, টেলিভিশন ধারাবাহিকও। ‘পাণ্ডব গোয়েন্দা’ ছাড়াও প্রাইভেট ডিটেকটিভ অম্বর চ্যাটার্জী। সাহিত্যে তাঁর অবদানের জন্য় একাধিক পুরস্কারও পেয়েছিলেন তিনি।







