নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রয়াত প্রাক্তন মন্ত্রী সত্যব্রত মুখ্যোপাধ্যায়। প্রাক্তন রাজ্য বিজেপির সভাপতি রাজনৈতিক মহলে জলুবাবু নামেই পরিচত। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। শুক্রবার কলকাতার সানি পার্কের বাড়িতে মৃত্যু হয় তাঁর। ২০০৮ সাল থেকে ২০০৯ সাল অবধি রাজ্য বিজেপির সভাপতিও ছিলেন তিনি। তাঁর প্রয়াণে শোকের ছায়া রাজনৈতিক মহলে।
পেশায় আইনজীবী ছিলেন সত্যব্রত। পাশাপাশি রাজনৈতিক মহলে তাঁর সুনাম ছিল বিরাট। ১৯৯৯ সালে কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্র থেকে জয়লাভ করেন সত্যব্রত বসু। পরে তাঁকে পরাজিত করেই তৃণমূলের টিকিটে সাংসদ হন অভিনেতা তাপস পাল। ২০০০ সাল থেকে ২০০২ সাল অবধি কেন্দ্রীয় রাসায়নিক ও সার বিভাগের মন্ত্রী ছিলেন। ২০০২ সাল থেকে ২০০৩ সালের অক্টোবর পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাণিজ্য এবং শিল্প মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন তিনি।

এর পর ২০০৮ সালের রাজ্য বিজেপির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন। তারপরেই রাজ্য বিজেপির সভাপতি হন রাহুল সিনহা। কর্মজীবনে ছিলেন যথেষ্ট পারদর্শী। ৮৭ বছর বয়স অবধি আদালতে যাতায়ত ছিল তাঁর। কিন্তু বেশ কয়েক বছর ধরে বার্ধক্যজনিত কারণে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। অবশেষে শুক্রবার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
তাঁর প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি লেখেন, বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সত্যব্রত মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে আমি গভীর ভাবে শোকাহত। জলু বাবু নামে পরিচিত ছিলেন। সাংসদ ছিলেন। প্রাক্তন সাংসদ এবং অটলবিহারী বাজপেয়ীর জমানায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ছিলেন। তাঁর পরিবার এবং বন্ধুদের সমবেদনা জানাই।
প্রয়াত জলুবাবু, শোকপ্রকাশ নেতৃত্বের

তৃণমূলের বিধায়ক, রাজ্যের মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস প্রাক্তন মন্ত্রীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে বলেন, জলুদার মৃত্যুতে আমরা গভীর ভাবে শোকাহত। নদিয়া এক রাজনৈতিক অভিভাবক হারাল। সিপিএমের নদিয়া জেলার সম্পাদক সুমিত দে বলেন, রাজনৈতিকভাবে তাঁর মতাদর্শের বিরোধিতা করেছি। কিন্তু ব্যক্তি সত্যব্রত সবার কাছেই প্রিয় ছিলেন।



