নজরবন্দি ব্যুরো: মুখ্যমন্ত্রী জানেননা কিছুই। কিন্তু কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম পুরসভা এলাকায় রাস্তার পার্কিং ফি বৃদ্ধি করেছেন বলে অভিযোগ করলেন তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। আজ শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠক ডেকে অভিযোগ করলেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ এবার বাড়িতে বসেই পাওয়া যাবে জন্ম ও মৃত্যুর শংসাপত্র থেকে মিউটেশন, সিদ্ধান্ত পুরসভার
দিনকয়েক আগে ফিরহাদ হাকিম জানান, প্রতি একঘণ্টা পিছু দু’চাকা গাড়ি পার্কিং করতে লাগবে ১০ টাকা। চার চাকা গাড়ির পার্কিং ফি বেড়ে দাঁড়ায় ২০ টাকা। ৫ ঘণ্টার বেশি সময় গাড়ি রাখলে ঘণ্টাপিছু দিতে হবে ১০০ টাকা। বাস এবং লরি রাখার জন্য ঘণ্টাপিছু পার্কিং ফি ২০ টাকা থেকে বেড়ে হয় ৪০ টাকা। কিন্তু কুণালের এই অভিযোগ শুনে কী বললেন ববি হাকিম?

মেয়র বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী বললে পার্কিং ফি বাড়ানোর নির্দেশ প্রত্যাহার করে নেব। তবে এটা সাংবাদিক বৈঠক ডেকে প্রকাশ্যে না বলে দলের ভিতরে বললেও হত!’’ কিন্তু কুণাল বলেন, মুখ্যমন্ত্রীকে না জানিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম। এই সিদ্ধান্তে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী। পার্কিং ফি বৃদ্ধি নিয়ে ইতিমধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কথা বলেন।

তারপরই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারে নির্দেশ দেন মমতা। কিছুদিন থেকে ফিরাদের থেকে দলের দূরত্ব বাড়ছে বলে মনে করছেন বিরোধী নেতারা। আর এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের নির্দেশকে অবশ্য সামান্য বিষয় বলে দেখছে নারাজ বিরোধীরা। দলের সঙ্গে তবে কি দূরত্ব তৈরি হচ্ছে ফিরহাদের, জল্পনা তুঙ্গে।
পার্কিং ফি বৃদ্ধি নিয়ে প্রকাশ্যে মেয়রকে বিঁধলেন কুণাল, বিরোধীরা পাচ্ছেন অন্য গন্ধ

এই ঘটনা নিয়ে কলকাতার প্রাক্তন মেয়র বিকাশ ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী বা কুণাল ঘোষ— কারওরই এ নিয়ে কথা বলার অধিকার নেই। সংবিধানসম্মত পুরসভা একটি তৃতীয় স্তরের সরকার। সেই সরকার আইনসিদ্ধ ভাবে যে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারে। সেই সিদ্ধান্তে রাজ্য সরকারের হস্তক্ষেপ করার অধিকার নেই।’’



