জট কাটছে উচ্চ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে, স্থগিতাদেশ তুলল কলকাতা হাইকোর্ট

নাম্বার বাড়িয়ে লিস্টে অন্তর্ভুক্তি? রাত পোহালেই শিক্ষক নিয়োগের শুনানি ডিভিশন বেঞ্চে।
নাম্বার বাড়িয়ে লিস্টে অন্তর্ভুক্তি? রাত পোহালেই শিক্ষক নিয়োগের শুনানি ডিভিশন বেঞ্চে।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ জট কাটছে উচ্চ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে, জারি হওয়া স্থগিতাদেশ তুলে নিল কলকাতা হাইকোর্ট। দীর্ঘদিন ধরেই আপার নিয়োগে বারে বারে জটিলতা তৈরি হয়েছে রাজ্যে। দীর্ঘদিনের টালবাহানা, তালিকা নিয়ে অসন্তোষ সব মিলিয়ে অন্ধকারে ছিল বহু চাকরি প্রার্থীর জীবন।

আরও পড়ুনঃ গদি বাঁচাতে মোদি টোটকা, ভোর থেকে রাত পর্যন্ত কাজ সঙ্গে নির্দেশ একগুচ্ছ

এবার সব জট কাটছে উচ্চ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে, আদালতের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ২০১৬ এর তালিকা অনুযায়ী হবে নিয়োগ।  SSCএর তালিকা নিয়ে বারবার তৈরি হয়েছে বিতর্ক। সেসব দূর করতেই চলতি মাসের ২ তারিখে সদ্য প্রকাশিত ইন্টারভিউ লিস্ট বাতিল করেন হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। স্কুল সার্ভিস কমিশন কে নির্দেশ দেন ৭ দিন অর্থাৎ ৯ জুলাই এর মধ্যেই নতুন ইন্টারভিউ লিস্ট প্রকাশ করার।

   জট কাটছে উচ্চ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে, স্বস্তি আদালতের রায়ে।

জট কাটছে উচ্চ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে, স্থগিতাদেশ তুলল কলকাতা হাইকোর্ট
জট কাটছে উচ্চ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে, স্থগিতাদেশ তুলল কলকাতা হাইকোর্ট

সেই মতোই গতকাল প্রকাশিত হয় নতুন তালিকা, সেই নিয়েও শুরু হয়েছিল গণ্ডগোল। বিচারপতির নির্দেশ মতো নামের পাশে নাম্বার থাকলেও অনেকে অভিযোগ করেছিলেন, নম্বর ঠিক থাকলেও তাদেরকে রিজেক্ট লিস্টে ফেলা হয়েছে। আর এই রিজেক্ট লিস্টে ফেলার কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে তাদের কারো মাধ্যমিকের সার্টিফিকেট কারো বা উচ্চ মাধ্যমিকের এডমিট বা অন্য কোন ডকুমেন্টস সঠিকভাবে আপলোড হয়নি।

আজ দুপুরে শুনানির আগেই অভিযোগ নিয়ে এসএসসি ভবনের সামনে চাকরিপ্রার্থীদরা বিক্ষোভ শুরু করেন। তবে দিন শেষে স্বস্তি ফিরছে চাকরিপ্রার্থীদের মনে। দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা মামলার ওপর ভিত্তি করে আদালত যে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল, আজ তুলে নিয়েছে তা।

জট কাটছে উচ্চ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে,  শুনানি শেষে আজ কলকাতা হাইকোর্টের তরফে জানানো হয়েছে ২০১৬ সালের তালিকা অনুসারে এবার নিয়োগ করতে পারবে কেন্দ্র। আগামী ১২ সপ্তাহের মধ্যে সমগ্র নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সঙ্গে জানানো হয়েছে যেহেতু একাধিক কারণে দিনে দিনে পিছিয়েছে নিয়োগ প্রক্রিয়া, সেক্ষেত্রে চাকরিপ্রার্থীদের বয়সের ক্ষেত্রে ছাড় দিতে হবে ৫ বছর।

যদিও এর মধ্যেই আজ সকালে ফের দায়ের হয়েছে মামলা। ১৩৬ জন আপার প্রাইমারি চাকরি প্রার্থী অভিযোগ এনেছেন, তালিকা প্রকাশে মানা হয়নি ২০১৯ সালের মৌসুমি ভট্টাচার্য্যের নির্দেশ। তবে এই মামলার ওপর ভিত্তি করে বহু প্রার্থীর চাকরি আটকে দেওয়ার পক্ষপাতি ছিলনা উচ্চ আদালত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here